১৮০৩টি পদে বিসিএসের নিয়োগের বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ

 

 

images ঢাকা অফিস॥ প্রথম শ্রেণির ১ হাজার ৮ শ ৩টি পদে কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আজ মঙ্গলবার পিএসসির ওয়েবসাইটে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ৩৫তম বিসিএসে অংশ গ্রহণের জন্য প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে। ৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রায় ১৯ মাস পর এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলো। এর আগে সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞাপন অনুযায়ী ৩৫ তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে নতুন নিয়মে। এত আগের ১০০ নম্বরের স্থলে ২০০ নম্বরের দুই ঘণ্টার এমসিকিউ পদ্ধতি অনুসরন করা হবে। একই সঙ্গে বিসিএসে আবেদন ফরমের দাম ২০০ টাকা বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হয়েছে। তবে প্রতিবন্ধী, সুবিধাবঞ্চিত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য আবেদনপত্রের দাম ১৫০ টাকা কমিয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে। তবে লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর আগের মতোই ৫০ শতাংশ রয়েছে। এছাড়া সংশোধিত নিয়মে কোনো প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় ৩০ শতাংশের কম নম্বর পেলে তিনি কোনো নম্বর পাননি বলে বিবেচিত হবেন। এটি আগে ছিল ২৫ শতাংশ।

গ্রাম পুলিশের মানবেতর জীবন যাপন কোন সরকার প্রতিশ্র“তি রাখেননি

ইমরান বিন মুছা,চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম)indexসারা দেশের গ্রাম পুলিশ ও দফাদাররা অর্থ কষ্ঠে সংসার চালাতে গিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। প্রত্যোক সরকার তাদেও বেতন ভাতা বাড়ানোর প্রতিশ্র“তি দিলেও কোন সরকার কথা রাখেনি। স্বল্প বেতন ভাতায় দ্রব্যমুল্য উর্ধ্ব গতির এই দিনে সংসার চালানো ও সন্তানদের পড়ালেখার খরচ যোগাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। বাংলাদেশে ৪৫ হাজার ৭শ ৫০ জন গ্রাম পুলিশ ও দফাদারের মধ্যে চন্দনাইশে ৮৪ জন চৌকিদার ও দফাদার সাধারন মানুষের নিরাপত্তা বিধানে কাজ করে আসছেন। রাতের ঘুম হারাম করে গ্রামের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছেন এ গ্রাম পুলিশরা। অথচ তাদের জীবন ও জিবীকার কোন উন্নতি নেই। হয়নি এখনো তাদের কোনও ধরনের ভাগ্যের উন্নয়ন। দিন দিন কাজের পরিধি বাড়লেও বাড়েনি তাদের সুযোগ সুবিধা ও জীবন যাত্রার মান। গ্রাম পুলিশেরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের চাকরী জাতীয় করনের দাবীসহ নানা কর্মসুচী নিয়ে আন্দোলন করলেও কোন সরকারই তাদের দাবী পুরণ করেনি। গত বছর নভেম্বর মাসে বর্তমান অর্থমন্ত্রীকে সিলেটে সংবর্ধনা দেয়া হলে তিনি সেই অনুষ্ঠানে চলতি অর্থ বছরে বেতন ভাতা বৃদ্ধি চাকরী জাতীয় করন ও চতুর্থ শ্রেনীর মর্যাদায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু গত ২৯ জুন চলতি অর্থ বছরের বাজেট পাশ হলেও গ্রাম পুলিশ ও দফাদারদের জন্য বাজেটে সেই বরাদ্ধ রাখা হয়নি। চন্দনাইশ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে জোয়ারায় ৭ জন,কাঞ্চনাবাদে ৯ জন,ধোপাছড়িতে ৯ জনসহ অপরাপর ইউনিয়নে ১০ জন করে মোট ৮৪ জন চৌকিদার ও দফাদার রয়েছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে ৯ ওয়ার্ডে ৯ জন চৌকিদার ও ১ জন করে দফাদার রয়েছে। প্রত্যেক চৌকিদার সরকারিভাবে ১১শ টাকা এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৮শ টাকা প্রত্যেক দফাদার সরকারিভাবে ১৩শ টাকা ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৮শ করে বেতন ভাতা পাওয়ার পাশাপাশি ছুটি ও বোনাস পেয়ে থাকেন। এ স্বল্প বেতন নিয়ে তাদের সংসার চালানো খুবই কষ্টকর। তাছাড়াও প্রতি মাস অন্তর অন্তর বেতন ভাতা পাওয়া যায়না বলে জানান। অবসরে গেলে চৌকিদার সরকারিভাবে ২৫ হাজার ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ২৫ হাজার টাকা পান। দফাদার সরকারিভাবে ৩০ হাজার এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে পান। কিন্তু অবসরের এ টাকাগুলো পেতে চরমভাবে ভোগান্তির স্বীকার হতে হয় বলে তারা অভিযোগ হিসেবে জানান। বর্তমান দ্রব্যমুল্য উর্ধ্ব গতিতে এ সামান্য বেতনে তাদের সংসার চালানো খুবই কষ্টকর বলে জানান। তাদের বেতন দুই ভাগে হয়ে থাকে। কিন্তু সরকারি অংশ পেলেও পরিষদের অংশ পেতে নানা ঝামেলা পোহাতে হয় বলে তারা জানান। দেশ স্বাধীনের পর গ্রাম পুলিশের জন্য ২২০ টাকা বেতন নির্ধারন করা হয়। ১৯৯৫ সালে তা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯শ টাকা করা হয়। গ্রাম পুলিশ বিভিন্ন অপরাধীর তদন্ত অপরাধের তথ্য,ইউনিয়ন পরিষদ পাহারাসহ পরিষদের চেয়ারম্যানকে নানাভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু জীবন ধারনের জন্য নুন্যতম বেতন পাচ্ছেন তারা। বর্তমানে ১ জন দিন মজুর দৈনিক ৪শ-৫শ টাকা হারে মজুরী পেয়ে থাকেন। সেহিসেবে গ্রাম পুলিশের বেতন পড়ে ৬৩ টাকা। এ স্বল্প বেতনে তাদের জীবন চলে কিভাবে এ প্রশ্ন সচেতন মহলের। উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নের ৫,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ হেলাল,মতিন এবং মোখলেছ জানান,যে বেতন পায় তা দিয়ে বর্তমান দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্ব গতিতে ১ মাসতো দুরের কথা ১৫ দিনও চলেনা। শুধু মানুষের কল্যানের জন্য গ্রাম পুলিশেরা করে যাচ্ছেন হাড় ভঁঙ্গা পরিশ্রম। অভাবের সংসার হওয়ায় তাদের ছেলে মেয়েরা ঠিকমতো পড়ালেখা করতে পারছেনা। সরকার গ্রাম পুলিশের জন্য ২ হাজার টাকা ও দফাদারদের জন্য ৩ হাজার টাকা বেতন ভাতা দেয়ার ঘোষনা দিলেও তা আদৌ কার্যকর হয়নি। অন্যদিকে গ্রাম পুলিশদের ৪র্থ শ্রেনীর পদমর্যাদার পাশাপাশি বেতন স্কেল রেশন চালুর দাবী জানিয়ে আসছেন দীর্ঘ দিন থেকে। কিন্তু কোন সরকারই তাদের দাবী মেনে নেয়নি। ফলে অবসরের পর ক্ষেত খামারে কাজ করে জীবন যাপন করতে হয় তাদের।

পটিয়ায় দুর্গা পূজার নিয়ে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

1235
তাপস দে আকাশ, পটিয়া প্রতিনিধি॥ পটিয়ায় উপজেলায় ২২ ইউনিয়নও পৌরসভায় ১৮৫ টি সার্বজনীন ও ব্যক্তিগত মিলিয়ে আড়াই শতাধিক মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে এবার। সোমবার সকাল ১১টায় শারদীয় দূর্গোৎসবে নিরাপত্তা জোরদার করতে পটিয়ায় উপজেলায় প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মোছাৎ রোকেয়া পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন পটিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী টিপু, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আ.ক.ম সামশুজ্জামান চৌধুরী ,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা বেগম জলি ,পটিয়া থানার ওসি সাহাবুদ্দিন খলিফা,দক্ষিন জেলা যুবলীগির সাংগাঠিন সম্পাদক অধ্যাপক কৃষ্ণ প্রসাদ ধর ,পৌর আ’লীগের প্রচারসম্পাদক আশীষ গোস্বামী, পটিয়া পৌর সভা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পুলক চৌধুরী ও বিভিন্ন পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
পটিয়ার সাংসদ আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, এবার দুর্গা পূজায় পটিয়ায় সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। কেউ সুন্দর পূজা উদযাপনে বিঘেœর সৃষ্টি করলে তাকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

পটিয়ায় বিএনপির হরতাল পালন

Patiya BNP  Idris Mia Horotal Pic 22.09.14

তাপস দে আকাশ, পটিয়া প্রতিনিধি॥ বিচারপতি অভিশংসন আইন সংসদে দেয়ার প্রতিবাদে ২০দলীয় জোট কর্তক সোমবারের হরতালে পটিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ ইদ্রিস মিয়া সমর্থিত উপজেলা বিএনপি,যুবদল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে পটিয়ায় এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কমলমুন্সির হাট এলাকায় সে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলপূর্ব সমাবেশে খরনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির মেম্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির উদ্দীন, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর ফারুকী, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর চৌধুরী। এতে বক্তব্য রাখেন কচুয়াই ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মেম্বার, বিএনপি নেতা আবু সৈয়দ, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম মাষ্টার, মামুন সিকদার, সরোয়ার কামাল ভুট্টো, মো. আলমগীর, আলমগীর হোসেন, রেজাউল করিম, জাহেদুল হক, বদিউল আলম, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মো. সেলিম চৌধুরী, সদস্য সচিব আবদুর রহিম, উপজেলা ছাত্রদল নেতা মো. আবদুস সোবহান, আবদুল করিম, মো. ফরমান, মো. টিপু, জামাল উদ্দীন, মো. শাহজাহান, মো. ফয়সাল, মো. বাবু, মো. ফারুক প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার ভোট বিহীন ক্ষমতায় এসে বিচারপতিদের যে অভিশংসন আইন সংসদে নিয়ে এসেছে তা বিচারবিভাগকে ধ্বংস করা ছাড়া আর কিছু নয়। এভাবে শেখ হাসিনা একের পর এক বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সংসদে অবৈধভাবে বিল পাশ করছেন। বিএনপির আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য ২০দলীয় জোট ভাঙ্গার যে ষড়যন্ত্র আওয়ামীলীগ সরকার করছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য নেতৃত্বে তা প্রতিহত করা হবে। আগামীতে পটিয়াতে সরকার বিরোধী সকলপ্রকার আন্দোলন সংগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ ইদ্রিস মিয়ার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে চালিয়ে যাওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান তারা।

চন্দনাইশে গ্রেফতারকৃত ডাকাতের অস্ত্র উদ্ধারের ২৫ দিনও উদ্ধার হয়নি

index
ইমরান বিন মুছা,চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) চন্দনাইশে ধৃত ডাকাতদের ফেলে যাওয়া অস্ত্র উদ্ধারের ২৫ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও থানায় মামলা রেকর্ড না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় শতাধিক এলাকাবাসী গত ১৬ সেপ্টেম্বর থানা ফটকে উপস্থিত হয়ে ক্ষোভ জানিয়ে বলেন আস্ত্র উদ্ধারে মামলা না হলে ধৃত ডাকাতরা খুব শীঘ্রই জামিনে বেরিয়ে এসে এলাকাবাসীর উপর প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে জান মালের ক্ষতি করতে পারে বলে জানা। এদিকে মামলা রেকর্ড না হওয়ায় ধৃত ডাকাতরা জামিন প্রক্রিয়া ধ্রুত শেষ করেছে বলে ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়। এ ব্যাপারে চন্দনাইশ থানায় সদ্য যোগদানকৃত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কাশেম ভুঁইয়া জানান,“একেতো তিনি নতুন যোগদান করেছেন তারউপর হরতালের ডিউটি নিয়ে তার খুব ব্যস্ততা রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে তিনি নিজেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সামগ্রিক দিক বিচার বিশ্লেষন ও তদন্ত করে মামলা রেকর্ড করে শীঘ্রই আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে ওসি জানান।”এলাকাবাসী জানান,তৎকালীন ওসি এসএম বদিউজ্জামান গত ২৮ আগষ্ট অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের পর মামলা রেকর্ড করার আশ্বাস দিলেও ২৫ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর এখনও মামলা রেকর্ড করা হয়নি। তবে পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারের পর দায়সারাভাবে একটি সাধারন ডাইরী করে রেখেছে বলে জানা যায়। এলাকাবাসী ডাকাতরা ধ্রুত জামিনে বেরিয়ে এসে তাদের উপর প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে যেকোন ধরনের অনাকাংকিত ঘটনা ঘটাতে পারে তাদের মনে বিরাজ করছে এমন শংকা।
উল্লেখ্য গত ২৫ আগষ্ট রাতে বরমা ইউনিয়নের বিনাইজুরী গ্রামের এয়ার মোহাম্মদের ছেলে প্রবাসী বাদশা মিয়ার ঘরে একদল ডাকাত ডাকাতি করে পালানোর সময় এলাকাবাসী ৫ জন ডাকাতকে ডাকাতিকাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসসহ আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এরপর জনগনের হাতে ধৃত ডাকাতদের ফেলে যাওয়া ৩টি এলজি,৮ রাইন্ড গুলি,৩টি রকেট বাতি ও ২টি টর্চ লাইট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ গত ২৮ আগস্ট বিকেলে উপজেলার বরকলস্থ পাটানদন্ডী গ্রামের একটি খাল থেকে ব্যাগ ভর্তি অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এলাকার চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের উপস্থিতিতে। এসব অস্ত্র ও গোলা বারুদ ধৃত ডাকাতদের ব্যবহৃত সরঞ্জমাদি বলে এলাকাবাসী ও পুলিশ নিশ্চিত হয়। পরে ধৃত ডাকাতরা উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো তাদের বলে জবানবন্দীতে স্বীকার করে। জানা যায়,উল্লেখিত এলাকার মিলন দাশের ছেলে ছোটন দাশ (১৬) খালে মাছ ধরতে গেলে তার জালে অস্ত্রের ব্যাগটি আটকা পড়ে। জালে আটকা পড়া ব্যাগটি হাতে ধরে ভারী অনুভব হওয়ায় মিলন ব্যাগটি খুলে ভেতরে অস্ত্র দেখে ভীত হয়ে সে পুনরায় ব্যাগটি খালে ফেলে দেয় এবং স্থানীয় মেম্বারকে খবর দেয়। মেম্বার বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানকে অবহিত করার পর থানায় খবর দিলে থানার এসআই রফিকসহ স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বারদের উপস্থিতিতে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে অস্ত্র আইনে মামলা করা হবে বলে থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ এসএম বদিউজ্জামান জানান। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান,গত ২৫ আগষ্ট রাতে ডাকাতি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাতদল এসব অস্ত্র,গুলি ও ব্যবহৃত রকেট বাতি ও টর্চ লাইটগুলো ফেলে যায়। উল্লেখ্য গত ২৫ আগষ্ট রাতে উপজেলার বরমা বাইনজুরী এলাকার বাসিন্দা প্রবাসী বাদশা মিয়ার ঘরে ডাকাতি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা ৫ ডাকাতকে ধরে ফেলে এবং গণধোলাই দেয়। পরে ধৃত ৫ ডাকাতকে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে চন্দনাইশ হাসপাতালে এবং পরে চমেক হাসপাতালে স্থানান্তরীত করা হয়।

আনোয়ারা বিদ্যুৎ গ্রাহকদের চরম র্দূভোগ

images
আবদুল মোতালেব, আনোয়ারা প্রতিনিধি॥ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাজার হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারনে চরম দূভোগে পড়েছে। অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে জন জীবন, ব্যাঘাত ঘটছে শিক্ষার্থীরা পড়া লেখাসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে। দিনের বেলা এক ঘণ্টার জন্যও বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না । রাতে আধা ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও ৪/৫ ঘন্টা ধরে অন্ধকারে থাকতে হয়। এভাবে চলছে প্রতিদিন আনোয়ারা উপজেলার লোকজন তিন সপ্তাহ ধরে । অথচ মাস শেষে দেখা যাবে ঠিকই বাড়তি বিলের বোঝা । ক্ষোভের সঙ্গে কথাগুলো বলেন ছত্তার হাট এলাকার ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান ও আবু বকর সওদাগার, শেখ সামসুদ্দিন শামিম, শেখ আবদুল্লাহ তারা অভিযোগ করে বলেন। ব্যবসায়ীরা নন প্রত্যেকে হয়রানীর শিকার হচ্ছে। আনোয়ারা উপজেরার ৩০ হাজারের বেশী গ্রাহক। লোডশেডিং এর যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ । গ্রাহকদের অভিযোগ, পুরো দিনে ৫/৬ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকে না । এ কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ব্যাঘাত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আনোয়ারা উপজেলার আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে উপজেলার ১১ ইউনিয়ন ও কর্ণফুলী থানার দুই ইউনিয়নের মধ্যে বিদ্যুতের গ্রাহক আছেন ৩১ হাজার ৫৭৮ জন । এখানে দিনের বেলায় ১২ আর রাতে ১৬ মেগাওয়ার্ট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৫/৬ ঘন্টা । তার ওপর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ থাকে না দুই ঘণ্টারও বেশি । এ কারণে লোডশেডিং ছাড়াও কোনো বিকল্প নেই । পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা জানান, কর্ণফুলী সার কারখানা (সিইউএফএল) চালু হওয়ায় কারণেও বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়েছে এ জন্য সমস্যায় পড়তে হয়েছে।
এব্যাপাওে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার আজাহার হোসেন বলেন, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হওয়ায় কিছু কিছু এলাকায় লোশেডিং বাড়ছে এটি কিছু দিনের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে।
আনোয়ারা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘সার কারখানা চালু হওয়ায় আমরা চাহিদা মতো বিদ্যুৎ পাচ্ছি না । এ কারণে লোডশোডিং হচ্ছে । আশা করছি, এ মাসেই সমস্যা কেটে যা

হাটহাজারীতে ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে সংখ্যালঘূদের উপর হামলার অভিযোগ

images
বাবলু দাশ ,হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : হাটহাজারীতে স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার (৩৬) ও তার সঙ্গীঁয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ১৫নং বুড়িশ্চর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সরকারবাড়ীর সুমতি সরকার (৭৫) নামের এক বৃদ্ধ মহিলা এ অভিযোগ করেন। যার নং- ৩০১২/২০-০৯-১৪ইং।
থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায় ,গত ১৮ই সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ২টায় ইউপি সদস্য আনোয়ার ও তার বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্র -সস্ত্র সহ পূর্ব বিরোধ ও সুমতি সরকারের ছেলে মিহির সরকার এলাকার জনৈক খোরশেদ এর সাথে চলাফেরা করার জের ধরিয়া সুমতি সরকারের ঘরের দরজা ভেঙ্গেঁ ঘরে ঢুকে তাকে ও তার পুত্রবধু শিমু সরকারকে প্রচন্ড এলাপাতারি ভাবে মারধর করে।তাদের চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসলে তাদেরকে ভয়ভিতী দেখায় আনোয়ার ।
বাদীনি সুমতি সরকার বলেন, আমরা এখন ভয়ভীতি ও নিরাপত্তা হীনতায় দিনানীপাত করছি।জন সম্মুখে আনোয়ার আমার পরিবারের লোককে হত্যা ও পোড়াইয়া মারার হুমকি দেয়।এতে পুরো এলাকায় ভয়ের শংকা বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান,ইউপি সদস্য আনোয়ার ও তার বাহিনীর অত্যাচারে এলাকার সাধারন মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে।সে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির প্রভাব বিস্তার করে এলাকায় ভূমিদূস্য ও সস্ত্রাসী বাহিনী রুপে প্রতিষ্টিত।
আনোয়ার উপজেলার ১৫নং বুড়িশ্চর ইউনিয়নের ২ং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।সে স্থানীয় মো: ইসহাক এর পুত্র বলে জানা যায়।
অভিযোগের ব্যাপারে ইউপি সদস্য আনোয়ার এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান , এটা মিথ্যা ও বানোয়াট আমার ব্যাপারে ষড়যন্ত্র বলে এ প্রতিবেদককে জানায় ।

লিও ক্লাব কর্তৃক দরিদ্রদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

leo district programmeপ্রতিনিধি, রাউজান(চট্টগ্রাম): আন্তর্জাতিক যুব সেবা সংগঠন লিও জেলা ৩১৫ বি৪ বাংলাদেশের উদ্দ্যোগে সোমবার চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদস্থ হাজীপাড়া জালাল কমিশনার বাড়ী সংলগ্ন মাঠে দরিদ্র পরিবারের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয়। লিও জেলা সভাপতি লিও আনিসুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সচিব লিও কাজী সাইদুল ইসলাম জনির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স জেলা ৩১৫ বি৪ বাংলাদেশের গভর্নর সিরাজুল হক আনছারী। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলার ২য় ভাইস জেলা গভর্নর শাহ আলম বাবুল, লিও ক্লাব চেয়ারম্যান লায়ন শাহাজাদা গাজী মো. গজনবী, সদ্য প্রাক্তন জেলা সভাপতি লিও আবুল খায়ের, সাবেক জেলা সভাপতি লায়ন হেলাল উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন জেলা সহ-সভাপতি লিও নুর মোহাম্মদ বাবু, লিও আশিকুল আলম আশিক, হেডকোয়াটার ১ লিও সাইফুল করিম আরিফ, লিও মো.মোরশেদ হোসেন চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র প্রেসিডেন্ট এডভাইজার লিও জুনায়েতুর রহমান রিফাত, লিও ইকবাল, লিও মঞ্জু, , লিও রোখসানা, লিও আয়েশা প্রমুখ। বক্তারা বলেন আত্ম মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে লিওজমের মূল মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে তৃণমুল পর্যায়ে এর সঠিক বার্তা পৌঁছিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে আধুনিক সমাজ বিনির্মানে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। উলে¬খ্য যে উক্ত অনুষ্ঠানে ৩ শতাধিক ছিন্নমূল ও দরিদ্র পরিবারে মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

চুয়েটের দশ ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

index
মো.মোরশেদ হোসেন চৌধুরী,রাউজান(চট্টগ্রাম) চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)’এ ছাত্রলীগের দু’গ্র“পের সময় এক গ্র“পের যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম তালহা জীমকে মেরে গুরুতর আহতের ঘটনায় কর্তৃপক্ষ ছাত্রলীগের নেতা কর্মিকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যয় চুয়েট ছাত্রকল্যণ পরিচালক অধ্যাপক অশুতোষ সাহা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কারাদেশ প্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতাকর্মিরা হলেন-চতুর্থ বর্ষের কম্পিউটার কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান ও প্লাবন দত্ত, যন্ত্রকৌশল বিভাগের সৈয়দ তানভীর ফয়সাল ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, পুরকৌশল বিভাগের জাকারিয়া মোহাম্মদ নাসিম ও আব্দুল আওয়াল, তড়িৎকৌশল বিভাগের আশরাফ-উল-নাঈম ও অভ্রদীপ পাল, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের মোবাশ্বেরুল ইসলাম পাভেল এবং স্থাপত্য বিভাগের মো. শাহরিয়ার মেহেদী নিশান। এদের মধ্যে প্লাবন দত্ত, নাইম ,নিশান, অভ্রদীপ পাল, মামুন ও ফয়সালকে চিরতরে, মনিরুজ্জামানকে দুই বছরের এবং নাসিম, আওয়াল ও পাভেলকে ছয় মাসের আবাসিক হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজীবন হল বহিষ্কৃতদের মধ্যে নাঈমকে পাঁচ হাজার এবং বাকিদের সাত হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া এদের সবাইকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার করা হয়েছে। উল্লেখ্য গত ১৬ জুন আনুমানিক রাত আটটায় চুয়েট ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে চুয়েট ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম তালহা জীম গুরুতর আহত হন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে তদন্ত শেষে এ বহিষ্কারাদেশ দেয়া হয়। বহিষ্কারের প্রতিক্রিয়ায় মোবাশ্বেরুল ইসলাম পাভেল বলেন ‘চুয়েটের শিক্ষকগণ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগকে দমানোর জন্যে কৌশলে এই বহিষ্কার করেছেন।’

৫ বছরেই মধ্যম আয়ের দেশের স্বপ্নে মুহিত

শনিবার চাঁদপুরের কচুয়ায় ড. মনসুরউদ্দীন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই আশার কথা জানান তিনি।

একই অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ  বাংলাদেশের অর্থনীতির এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি সুবিধা পুনরায় পাওয়ার আশাবাদও প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করতে সরকারের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে তা অর্জনে জনগণের সহযোগিতা আশা করেন মুহিত।

“বর্তমান সরকারের টার্গেট বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। মহৎ উদ্দেশ্য থাকলে পাঁচ বছরে এই দেশের জনগণই এর জন্য সহযোগিতা করবে।”

“আমাদের সৌভাগ্য, কৃষক-শ্রমিকদের দক্ষতা-পরিশ্রমে দেশ আজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদের রপ্তানি ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে হবে।”

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বেশি করে যুক্ত করার ওপর জোর দেন অর্থমন্ত্রী।

“আমাদের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ, এটাকে ৮ থেকে ১০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। আর সেজন্য এগিয়ে আসতে হবে নারীদের।”

“এদেশের ৫০ শতাংশ নারী। তাই নারীরা পেছনে পড়ে থাকলে বাকি ৫০ শতাংশ পুরুষ কিছুই করতে পারবে না।”