১৬ নভেম্বর তরুণদের সঙ্গে ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক  ::        তরুণদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) আয়োজিত ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানে ১৬ নভেম্বর বিকাল চারটায় নতুন প্রজন্ম ও বাংলাদেশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার ভবিষ্যৎ ভাবনার কথা জানাবেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

সারাদেশ থেকে বাছাই করা ১৫০ জন অংশগ্রহণকারী তরুণ এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। তাদের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। তরুণদের জন্য বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন নীতি নির্ধারণ, ভবিষ্যতে উন্নত এক বাংলাদেশ গড়ায় বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা এবং সার্বিকভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে সরাসরি মতামত ও আলোচনার সুযোগ পাবেন এই তরুণেরা। অনুষ্ঠানে সরাসরি তরুণদের বিভিন্ন মতামত গ্রহণের পাশাপাশি তাদের প্রশ্নের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বর্তমান প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দিতে এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার নিজের বেড়ে ওঠা, রাজনৈতিক সংগ্রাম, রাজনৈতিক দর্শন, দেশপ্রেম, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রেরণা ও পরিকল্পনাসহ নানা বিষয় তুলে ধরবেন। তারুণ্যের সময় নিয়ে বেশ কিছু নতুন তথ্যও জানাবেন। একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর জীবন-যাপন নিয়েও আলোচনা হবে এই আয়োজনে।

এ প্রসঙ্গে সিআরআই-এর সিনিয়র বিশ্লেষক ও সমন্বয়ক ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ বলেন, ‘তরুণরা যাতে দেশের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন এবং নিজেদের ভাবনা ও সমস্যাগুলোর কথা নীতি নির্ধারকদের কাছে পৌঁছাতে পারেন, সেজন্য সিআরআই নিয়মিত আয়োজন করে আসছে লেটস টক।’ তিনি বলেন,‘প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার লেটস টক আয়োজন করা হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে লেটস টক।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় তরুণদের মতামত ও চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। ১৬ নভেম্বর বিকাল তিনটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’ অনুষ্ঠানটি চলবে। বিটিভসহ বেশ কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল এটি সরাসরি সম্প্রচার করবে। পাশাপাশি CRI, Young Bangla সহ অন্যান্য অনলাইন পত্রিকার ফেসবুক পেজেও অনুষ্ঠানটির লাইভ দেখা যাবে।
চট্টগ্রামনিউজ/এসএ

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১) এর পুরোপুরি মালিকানা বুঝে নিল বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক  ::    বাংলাদেশের প্রথম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১) এর পুরোপুরি মালিকানা এবং দায়িত্ব বুঝে পেয়েছে বাংলাদেশ। উৎক্ষেপণের ছয় মাসের মাথায় উপগ্রহটির দায়িত্ব বুঝে পেল বাংলাদেশ। এখন থেকে এই স্যাটেলাইটের রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনাসহ সব দায়িত্ব বাংলাদেশের।

শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরের বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএসসিএল) কার্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের হস্তান্তর’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশের পক্ষে দায়িত্ব বুঝে নেয় বিসিএসসিএল।

গত ১১ মে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে দেশের প্রথম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সফল উৎক্ষেপণ হয়। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস।

ফ্রান্সের এই প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে বাংলাদেশ আজ স্যাটেলাইটটির সম্পূর্ণ মালিকানা বুঝে নেয় ৷ অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে স্যাটেলাইটটির মালিকানা বুঝিয়ে দেয় থ্যালেস অ্যালেনিয়া।

এরপর বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই দায়িত্ব বিসিএসসিএলেরর কাছে বুঝিয়ে দেন। পরে বিসিএসসিএলের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, এটা একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত বাংলাদেশের জন্য। এখন থেকে আনুষ্ঠানিক মালিকানা পেল বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, ‘এর মধ্য দিয়ে ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যে সেতু তৈরি হলো। তারা আমাদের স্থায়ী বন্ধু হলো।’ স্যাটেলাইটের সবকিছু ঠিক থাকলে তিন বছরের মধ্যে লাভ করা শুরু হবে বলে জানান শাহজাহান মাহমুদ।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘এই স্যাটেলাইট আমাদের ঐতিহাসিক স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। এটা শুধু দেশের জন্য গর্ব নয়, নির্মাতা প্রতিষ্ঠানসহ দুই দেশের গর্ব। চ্যালেঞ্জ ছিল উড়বে কি না। কিন্তু তা উড়েছে।

এই স্যাটেলাইট দিয়ে কতটা লাভ হবে, কী খরচ হলো, কতটা উপকার পাব, এর চেয়ে আমাদের কাছে বড় অর্জন—আমরা একটা স্যাটেলাইটের মালিক।’ বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ম্যারি আনিক বুখডা বলেন, ‘এই প্রকল্পটা আমাদের জন্য সত্যিই খুব খুশির এবং সন্তোষজনক।’

প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা বঙ্গবন্ধু-১ দিয়ে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির অভিজাত দেশের ক্লাবে বাংলাদেশ প্রবেশ করে। বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইটের মালিক হয় বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) সচিব শ্যামসুন্দর শিকদার প্রমুখ বক্তব্য দেন। এই উপলক্ষে একটা কেক কাটা হয়। গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়েছে।
চট্টগ্রামনিউজ/এসএ

শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে ১৬ নভেম্বর

নিউজ ডেস্ক  ::    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ সিনেমারটির ট্রেইলার প্রকাশ পায় সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে। ট্রেইলার প্রকাশ হওয়ার পর পরই সিনেমাটি নিয়ে অন্যরকম আগ্রহ তৈরি হয় দর্শকের মাঝে। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমত ভাইরাল হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত ‘অ্যা ডটারস টেল’ সিনেমার ট্রেইলার।

দুই মিনিট ৪৮ সেকেন্ড ব্যাপ্তির ট্রেলারটি চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট মানুষ থেকে শুরু করে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও রাজনীতিকরাও তাদের টুইটার, ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন। অবশেষে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ সিনেমাটি। আগামী ১৬ নভেম্বর চলচ্চিত্রটি দেশের চারটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে।এর মাধ্যমে সবার অপেক্ষার পালা শেষ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে ডকু-ড্রামা ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’।

বার্তা সংস্থা ইউএনবির তথ্যমতে, ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ প্রযোজনা করেছে আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)। সিআরআই এবং অ্যাপলবক্স ফিল্মসের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক রেজাউর রহমান খান পিপলু নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্রটি ।

জানা গেছে, ৭০ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে পরিচালকের দীর্ঘ পাঁচ বছর সময় লেগেছে। অক্লান্ত প্রচেষ্টার পর এই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়। চলচ্চিত্রটির পরিচালক পিপলু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাটকীয় কিন্তু আন্তরিক ভঙ্গিতে চিত্রায়ণ করেছেন বিভিন্ন ভূমিকায়। কখনও বঙ্গবন্ধুর মেয়ে, কখনও একজন নেতা বা পুরো দেশের ‘আপা’ হিসেবে এবং সবকিছুর ঊর্ধ্বে তার ব্যক্তিসত্তাকে।
চট্টগ্রামনিউজ/এসএ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লড়বেন ‍দুটি আসনে

নিউজ ডেস্ক  ::    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আসন্ন নির্বাচনে তিনি দুটি আসনে লড়বেন। আসন দুটি হলো- গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া এলাকার গোপালগঞ্জ-৩ ও রংপুরের পীরগঞ্জের রংপুর-৬ আসন। শুক্রবার ৯ নভেম্বর সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে এই দুই আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য শেখ হাসিনার নামে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়।

দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফরম সংগ্রহের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্রের ফরম বিতরণ কার্যক্রম। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে শেখ হাসিনার পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন গোপালগঞ্জের বাসিন্দা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা। এ সময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম কামাল হোসেন, রেমন্ড আরেংসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে পীরগঞ্জের রংপুর-৬ আসনে শেখ হাসিনা ছাড়াও একই আসন থেকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর পক্ষে মনোনয়নপত্রের ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর পক্ষে ফরম সংগ্রহ করেন চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ ও হুইপ আতিকুর রহমান আতিক। এ সময়ও ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। পরবর্তীতে রংপুরের পীরগঞ্জ আসনটি ছেড়ে দেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে। শিরীন শারমিন চৌধুরী উপ-নির্বাচনের রংপুর-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথমে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পরবর্তীতে জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও রংপুরের পীরগঞ্জের আসনটি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া ও রংপুর পীরগঞ্জের আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হলেও অন্য যেকোনো আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাতে পারেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা গতকাল বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১৯ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ২২ নভেম্বর এবং ২৯ নভেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
চট্টগ্রামনিউজ/এসএ

রোববার মার্কিন দূতাবাস বন্ধ থাকবে

রোববার মার্কিন দূতাবাস বন্ধ থাকবে

নিউজ ডেস্ক: আমেরিকান সৈনিক দিবস উপলক্ষে আগামী রোববার (১১ নভেম্বর) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস বন্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমেরিকান সৈনিক দিবস আমেরিকার জাতীয় ছুটির দিন। সেজন্য দূতাবাস ছাড়াও কনস্যুলার সেকশন, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স সেকশন, আর্চার কে ব্লাড আমেরিকান সেন্টার লাইব্রেরি এবং স্টুডেন্ট অ্যাডভাইজিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। তবে দূতাবাস বন্ধ থাকলেও আমেরিকান নাগরিকদের জন্য জরুরি সেবা দেওয়া হবে। এজন্য তাদের ৫৫৬৬-২০০০ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের নাম নেই এশিয়ায় দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায়

নিউজ ডেস্ক  ::     ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)- এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টানা পাঁচ বছর দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো। এশিয়ার দেশগুলোর দুর্নীতির মাত্রা বিবেচনায় দেড় বছর ধরে চালানো একটি জরিপ প্রকাশ করেছে টিআই। সম্প্রতি প্রকাশিত ওই জরিপে দেখা গেছে, এশিয়ার মধ্যে সব থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার।

দুর্নীতির ওই তালিকায় নেই বাংলাদেশের নাম। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, অন্যান্য মহাদেশের তুলনায় এশিয়ায় দুর্নীতির হার বেশি। সাধারণত বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া দুর্নীতির বড় বড় ঘটনাগুলো মূলত এশিয়াতেই ঘটে। এশিয়ায় ‘দুর্নীতি’ নামক এই ক্ষতের গভীরতা কতটুকু সেটি খতিয়ে দেখতে টিআই কর্তৃক এশিয়ার বিভিন্ন দেশে একটি জরিপ চালানো হয়।

সম্প্রতি তা প্রকাশও করা হয়েছে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফোর্বসে। টিআই তাদের জরিপে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ১৬টি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ২০ হাজার মানুষের সঙ্গে কথা বলে। এসব মানুষের প্রতি চারজনের একজন সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গিয়ে ঘুষ দিয়েছেন বলে জরিপে উঠে এসেছে। কিছু দেশের মানুষের কাছে দুর্নীতি প্রাত্যহিক জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এশিয়ার পাঁচটি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের মধ্যে এক নম্বরে ভারত এরপর যথাক্রমে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও মিয়ানমার রয়েছে। দুর্নীতির এই অভিশাপ থেকে মুক্ত বাংলাদেশ।

জরিপে অংশ নেওয়া অর্ধেক ভারতীয়ই জানিয়েছেন- স্কুল, হাসপাতাল, জাতীয় পরিচয়পত্র, পুলিশসহ প্রতি ছয়টি সরকারি সেবা পেতে পাঁচটিতেই ঘুষ দিতে হয়েছে তাদের। যদিও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘যুদ্ধের’ ফলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ৫২ শতাংশ ভারতীয় মনে করছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার ভালো কাজ করছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ভারতীয়দের মনোবলও বৃদ্ধি করেছে। ৬২ শতাংশ ভারতীয় মনে করছেন, সাধারণ মানুষই পরিবর্তন আনতে সক্ষম। ভিয়েতনামের মানুষ দুর্নীতিকে দেখছেন মহামারী হিসেবে।

৬০ শতাংশ মানুষের ধারণা দুর্নীতি দমনে তাদের সরকার সামান্যই কাজ করতে পারছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাদের সরকার যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে তা নিতান্তই দুর্বল। পর্যটন নগরী হিসেবে সুপরিচিত থাইল্যান্ড। এই নগরীতেও রয়েছে দুর্নীতির কালো ছায়া। সরকারি দফতরসহ প্রায় সব পর্যায়েই দুর্নীতি নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে থাইল্যান্ড।

তবে দেশটির বেশিরভাগ মানুষই বেশ আশাবাদী। ৭১ শতাংশ মানুষ মনে করছেন দুর্নীতি ঠেকাতে বর্তমান সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তা যথার্থ। প্রতিবেশী দেশগুলোর দুর্নীতির এই কালো ছায়া থেকে মুক্ত বাংলাদেশ। দেশের দুর্নীতি দমন কমিশন ও বর্তমান সরকারের কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে দূর হয়েছে দুর্নীতি নামক অভিশাপ। আওয়ামী লীগ সরকারের দক্ষ দিকনির্দেশনার মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ।
চট্টগ্রামনিউজ/এসএ

বুলেট ট্রেন চলাচলে উপযোগি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ নির্মাণকাজ শুরু

নিউজ ডেস্ক  ::     শিগগির শুরু হচ্ছে বুলেট ট্রেন চলাচলে উপযোগি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ নির্মাণকাজ। ঢাকা থেকে কুমিল্লার লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। । ইতোমধ্যে সরকার এ সংক্রান্ত প্রকল্পের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে সোমবার ৫ নভেম্বর সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। প্রকল্পটি চীনের সঙ্গে জি-টু-জি পদ্ধতিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, প্রায় ৩০ হাজার ৯৫৫ কোটি ৭ লাখ টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

প্রকল্প সহায়তা হিসেবে চীন থেকে পাওয়া যাবে ২৪ হাজার ৭৬৪ কোটি ৬ লাখ টাকা। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে সেকশন করিডোরের দৈর্ঘ্য ৩২০ দশমিক ৭৯ কিলোমিটার। বর্তমানে ঢাকা থেকে ট্রেন বৃত্তাকার পথে টঙ্গী-ভৈরব বাজার-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছায়। এতে সময় লাগে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যাতায়াতে সময় লাগবে মাত্র ২ ঘণ্টা। বুলেট ট্রেন প্রতি ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার বেগে চলবে। যাত্রীদের সময়ের দূরত্ব কমিয়ে আনতে বর্তমান সরকার এ পরিকল্পনা গ্রহণ করে জানা গেছে, রেলপথ মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পের ভিত্তি স্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই, নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণকাজের জন্য পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নকশা তৈরির কাজেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত নকশা জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রস্তাবিত দ্রুতগতির রেলপথটি যাবে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মধ্যদিয়ে। এ পথে ঢাকা থেকে কুমিল্লার লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ করা হলে সেকশনের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ কিলোমিটার কমে যাবে।

এতে যাত্রীদের দ্রুত সময়ে যাতায়াতের সুবিধার পাশাপাশি রেলের পরিচালন ব্যয় ও পরিবহন ব্যয় কমে যাবে। রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক চট্টগ্রাম-দোহাজারী রুটে ট্রেন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জানান, রেললাইনের উন্নয়ন করে দেশের সব বিভাগীয় শহরে বুলেট ট্রেন চালু করা হবে।

সর্বপ্রথম ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বুলেট ট্রেন চালুর কাজ চলছে। আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের বেশিরভাগ কাজ চলে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই। তাই চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পণ্য পরিবহনও হয় বেশি। বুলেট ট্রেন চালু হলে ব্যবসায়ীরা দ্রুত পরিবহন সুবিধা পাবেন বলে জানান চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারীরা।
চট্টগ্রামনিউজ/এসএ

‘আগামী পাঁচ বছরে দুই কোটি লোকের কর্মসংস্থান হবে ’

নিউজ ডেস্ক  ::      পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আগামীবার ক্ষমতায় এলে পরের পাঁচ বছর দুই কোটি লোকের কর্মসংস্থান হবে। চলতি অর্থবছরে সোয়া ৮ শতাংশের কম মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হবে না। বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ‘সব প্রকল্পই রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা জনগণের জন্য কাজ করি। এত প্রকল্প করা হচ্ছে যেন, আমাদের ভোট না দিতে ভোটারদের হাত কাঁপবে।’ বুধবার ৩০ হাজার ২৩৪ কোটি টাকার ২৮টি প্রকল্প পাস করা হয়েছে।

গত রোববার রেকর্ড ৩৯টি প্রকল্প পাসের তিন দিন পরেই আজ এসব প্রকল্প পাস করা হয়। এ নিয়ে গত ৩ মাস ৭ দিনে সব মিলিয়ে ১৪ টি একনেক সভায় মোট ২৩৬টি প্রকল্প পাস হয়েছে। এসব প্রকল্পে মোট খরচ হবে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা। শেরেবাংলা নগরের এনইসির সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘বুধবার একনেক সভার পর আর কোনো একনেক সভা হবে না, এটা বলতে পারব না।

আমি কতটা সময় দিতে পারব, সেটাও বিবেচনা করতে হবে। নির্বাচনের জন্য নিজের এলাকায় বেশি সময় দিতে হবে।’ তবে তিনি বলেন, নির্বাচনী আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, এমন কিছুই করা হবে না। একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর অন্যতম হলো, র‌্যাবের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা; রোহিঙ্গাদের জন্য ইমারজেন্সি মাল্টি-সেক্টর রোহিঙ্গা ক্রাইসিস রেসপন্স; নেত্রকোনায় শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন; সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ (প্রথম পর্যায়); জয়িতা ফাউন্ডশনের সক্ষমতা বিনির্মাণ; নওগাঁর মান্দায় শহীদ কামরুজ্জামান টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট স্থাপন; ভোলায় টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট স্থাপন, চট্টগ্রাম মহানগরীর পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা স্থাপন (প্রথম পর্যায়); নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ এবং অপসারণ ব্যবস্থাপনা; বহাদ্দারহাট বাড়ইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত খাল খনন; চা–বাগান কর্মীদের জন্য নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন; উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ (ষষ্ঠ পর্ব); বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভবন নির্মাণ; ১১টি আধুনিক ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্থাপন; মাদারীপুরে সরকারি অফিসগুলোর জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ; নির্বাচিত ৯টি সরকারি কলেজের উন্নয়ন; গোপালগঞ্জের শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয় ও ঢাকা সূত্রাপুরের শেরেবাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন; চট্টগ্রাম-খুলনা-রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগে একটি করে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন; ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন; সোনাগাজী ৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ; বীজ প্রত্যয়ন কার্যক্রম জোরদার করা; নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ বিশেষ ধরনের পন্টুন নির্মাণ ও স্থাপন; বৃহত্তর রাজশাহী জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন (রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ); বৃহত্তর নোয়াখালী (নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলা) পল্লি অবকাঠামো উন্নয়ন; প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন; বাঙ্গালী-করতোয়া-ফুলজোর-হুড়াসাগর নদী সিস্টেম ড্রেজিং বা পুনঃখনন ও তীর সংরক্ষণ প্রকল্প।
চট্টগ্রামনিউজ/এসএ

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন অাগামীকাল

 

নিউজ ডেস্ক  ::    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে আসছেন। ওই দিন দুপুর সাড়ে ১২টায় গণভবনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সংলাপ নিয়ে কথা বলবেন। সংলাপ–পরবর্তী সিদ্ধান্তও জানাবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী সেখানে সংলাপ নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেবেন।

এর আগে সোমবার সচিবালয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, সম্ভবত ৮ বা ৯ নভেম্বর সংলাপের ফল জানাতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই সংবাদ সম্মেলন করবেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ১ নভেম্বর তাঁদের সঙ্গে সংলাপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে বিকল্পধারা বাংলাদেশ ও জাতীয় পার্টিও সংলাপে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেয়। সেই আলোচনাও শেষ হয়েছে। আজ দুপুর থেকে ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে সংলাপ চলছে, বিকেলে বামপন্থী কয়েকটি দলের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। কাল বুধবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় সংলাপ হওয়ার কথা।
চট্টগ্রামনিউজ/এসএ

দীপাবলি উৎসব আজ

দীপাবলি উৎসব আজ

শুভ্র দাশ: আজ হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উৎসব। শ্যামা পূজাকে কালী পূজা নামেও অভিহিত করা হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব এটি। সাধারনত কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে কালী পূজা। এ পূজা রাতে হয়।

“দীপাবলি” নামটির অর্থ “প্রদীপের সমষ্টি”। এই দিন হিন্দুরা ঘরে ঘরে ছোটো মাটির প্রদীপ জ্বালেন। এই প্রদীপ জ্বালানো অমঙ্গল বিতাড়নের প্রতীক।

হিন্দুধর্মাবলম্বীদের কাছে তাই শ্যামা দেবী শান্তি, সংহতি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সংগ্রামের প্রতীক। ভক্তদের কাছে কালী দেবী শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী, দেবী মহামায়াসহ অনেক নামেই পরিচিত।

হিন্দুদের কাছে, দীপাবলি একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এই দিন সব হিন্দুরা বাড়িতে নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। বাংলা, আসাম, ওড়িশা ও মিথিলাতে এই দিনটি কালীপূজা হিসেবে উদযাপন করা হয়। ভারতীয় সমাজের দৃঢ় বিশ্বাস ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন’ বা ‘ন্যায়ের কাছে অন্যায়ের পরাজয়’ এই নীতিতে। দীপাবলির মাধ্যমে উপনিষদের আজ্ঞায় এই কথাটা খুবই সদৃঢ় ভাবে চরিতার্থ হয়ে ওঠে যথা “অসতো মা সৎ গময়। তমসো মা জ্যোতির্গময়। মৃত্যোর্মা অমৃতং গময়। ওঁ শান্তিঃ॥ ওঁ শান্তিঃ॥ ওঁ শান্তিঃ॥” অর্থাৎ “অসৎ হইতে সত্যে লইয়া যাও, অন্ধকার হইতে জ্যোতিতে লইয়া যাও, মৃত্যু হইতে অমরত্বে লইয়া যাও। সর্বত্র যেন ছড়াইয়া পড়ুক শান্তির বার্তা।