ভাল অভিনেত্রী ও মডেল হতে চাই: সানজানা

 

কমল দাশ :

su3মডেল ও অভিনেত্রী সানজানা। মিডিয়াতে হয়ে গেছে প্রায় এক বছর। এই অল্প সময়েই নিজের পরিচিতি পেয়ে গেছেন। এখন মিডিয়ায় এক পরিচিত মুখ তিনি। তবে একটু শুরুর দিকে গেলে, অনেক আগেই হয়তো পরিচিতিটা পেয়ে যেতেন এই মডেল। কারণ শুরুটা যে হতো একটা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দিয়ে। তার বন্ধুর সঙ্গে ছবি ফেসবুকে এবং বিভিন্ন জায়গায় তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখে একদিন প্রস্তাব পান অভিনয়ে। আর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে পারতেন কিন্তু সেই চাই আগে মডেলিংটা শিখে নিক । তাই অধরা রয়ে যায় তার সেই স্বপ্ন। তাই বলে পিছিয়ে থাকেননি কোন অংশেই। ইতিমধ্যে পএিকার বিভিন্ন ফটোশ্যুটের কাজ করেই আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। যা ছিল তার প্রথম পএিকার প্রথম ফটোশ্যুট । আর এরপরের কথা তো সবারই জানা। এক বছরেই তিনি নতুন হিসাবে খুব তাড়াতাড়ি নিজের জায়গা তৈরি করে নেন মিডিয়াতে। সম্প্রতি এক বছরে মিডিয়ায় পথ চলা আর সাম্প্রতিক কাজ এবং ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন চট্রগ্রাম নিউজের সাথে ।

কমল দাশ : বর্তমানে আপনি কি কাজ করছেন?

su3 su2সানজানা : এখন হাতে তিন-চারটা ভালো ফটোশ্যুটের কাজের কথা চলছে। আর দুইটা মিউজিক ভিডিও কাজ খুব শিগগিরই শুরু হবে। তা ছাড়া দুইটা ব্রাণ্ড’র কাজ হবে সামনে। আর এই নিয়েই আমার ব্যস্ততা।

কমল দাশ : মডেলিং ও অভিনয় দুটোই করার ইচ্ছে। কোনটায় নিয়মিত হবেন?

সানজানা : এখন পর্যন্ত আমি প্রায় কোন নাটক ও বিজ্ঞাপনে কাজ করেনি , সামনে

করবো । আর হাতেগোনা কিছু কাজ করেছি যাতে সামনে মডেলিং ও অভিনয়টা ভালোভাবে

করতে পারি আমি। অভিনয় শুরু করবো কমলদা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে । এখন অভিনয়ের জন্য অনেক প্রস্তাব আসছে। খুব বেছে বেছে কাজ করতে চাই তাই অভিনয়ে নিয়মিত ব্যাপারটা এখনও বলতে পারছি না। তবে ভালো কাজ পেলে অবশ্যই নিয়মিত হব। আর মডেলিং এ নিয়মিত কাজ করবো।

কমল দাশ : টার্নিং পয়েন্ট…

সানজানা : গতকালকের পএিকার জন্য কিছু ভালো ফটোশ্যুট করতে পারা ।

কমল দাশ : যেহেতু অভিনয়ে নিয়মিত হবেন, তাহলে বড়পর্দায় আসার ইচ্ছা আছে?

সানজানা : আমার কাছে একটা প্রস্তাব আসে চলচ্চিত্রের। কিন্তু এখন চলচ্চিত্র নিয়ে কোন চিন্তা নেই আমার। আমি কমার্শিয়াল ছবি কখনও করব না। আর যদি করি তাহলে অবশ্যই আর্ট ফিল্ম ঘরানার ছবি করবো। ভাল গল্প হতে হবে, ভালো পরিচালক হতে হবে, তবেই চলচ্চিত্র করবো।

কমল দাশ : নতুন অনেকেই মিডিয়াতে আসছে, আবার চলেও যাচ্ছে। নতুন হিসেবে এই বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখছেন?

সানজানা : কাজ তো সবাই করতে পারে। কিন্তু আমি এমন কাজ করতে চাই যা মানুষ সব সময় মনে রাখবে। তাই আমি খুব বেছে বেছে কাজ করবো। চরিত্র, গল্প সব কিছুর ব্যাপারেই আমি সচেতন। যদি নতুন একগাদা কাজ না করে বেছে বেছে কাজ করে তাহলে ক্যারিয়ারের জন্য ভালো হবে।

কমল দাশ : পরিবারের সহযোগিতা কেমন পাচ্ছেন?

সানজানা : আমার পরিবার খুবই রেস্ট্রিক্টেড। আমাকে সব সময় চোখে চোখে রাখে। যেমন আমার কোন কাজ যদি ঢাকার বাইরে শুটিং পরে তাহলে তা আমি করতে পারি না। এরজন্য অনেক ভাল কাজ পেয়ে আমি করতে পারিনি । আর শুটিংয়ে সব সময় আমার সঙ্গে আম্মু অথবা আমার বোন থাকে। তাছাড়া বেশি রাতে শুটিং করা যাবে না এটা তো রয়েছেই। তবে আমার কাজ দেখে প্রশংসা করে তারা। কিন্তু তারপরও কোন ছাড় নেই আমার।

su1কমল দাশ : ছোটবেলায় কি হতে চাইতেন?

সানজানা : ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছে ছিল। তারপর বড় হয়ে ইচ্ছা হল ফ্যাশন ডিজাইনার হব। এবং আমার ডিজাইন করা অনেক পোশাক বাইরে পাঠানো হয়েছে। ভবিষ্যতে একটা বুটিক শপ দেয়ার ইচ্ছা আছে আমার।

কমল দাশ : পড়াশোনা…

সানজানা : হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজে পড়ছি ।

কমল দাশ : নিজের ভাল-খারাপ দিক?

সানজানা : আমি সহজেই মানুষকে বিশ্বাস করি এটা সবচেয়ে খারাপ দিক আমার।

ছবির মানুষ কমল দাশ : সুন্দরের সাথে যার নিত্য বসবাস

ছবির মানুষ কমল দাশ : সুন্দরের সাথে যার নিত্য বসবাস
ছবির মানুষ কমল দাশ : সুন্দরের সাথে যার নিত্য বসবাস

।। প্রান্ত সাইদুল ।। প্রতিদিনের অদেখাগুলোকে পরম ধৈর্যে খুঁজে বের করার চেষ্টা। শিল্পীও এখানেই থাকেন। তিনি নিজেও এ বিচিত্র যাপনের ভেতরকার একজন। সেই ভেতর থেকে বের হয়ে তৃতীয় এক চোখে তিনি তুলে এনেছেন বাংলাদেশের মস্তিষ্কে ক্রমশ সরু হয়ে আসা স্মৃতিগলির ছায়াছবি। এখানে অতিবাহিত হয় যে জীবন আমরা একান্তই তাকে চিনি।কমল দাশের ছবিগুলো দেখতে দেখতে আমাদের বিস্মিত হতে হয় . প্রকৃতি থেকে জীবন যাপন আর ফ্যাশন কোনো কিছুই তার ক্যামেরায় বাদ যায় নাই . ক্রমশ তিনি হয়ে উঠেছেন সকলের প্রিয় . তার ছবি পেয়েছে দেশ বিদেশে খ্যাতি . পরিচয় ঘটেছে পৃথিবীর খ্যাতিমান আলোকচিত্র শিল্পিদের  সাথে ।ফটোগ্রাফিতে পেয়েছেন দেশ বিদেশে অনেক পুরস্কার । পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবিগুলো মধ্যে সুবর্ণরেখা , চাইল্ডহুড লাইফ , মা , আনচিন বাংলাদেশ , অস্তাচল, সম্পর্ক ,সংগ্রাম , জালবন্ধি , নিবাক অন্যতম । পাশাপাশি নির্মাণ করছেন বেশকিছু ডকুমেন্টরি ।বাংলাদেশের সব পএিকায় তার ছবি ছাপা হয়েছে । শুনুন এই খ্যাতিমান তরুণের আলোকচিত্র শিল্পি হয়ে উঠার গল্প …

Kamol Das Photography  (118)প্রথমেই কমল বলেন , আমার বেশির ভাগ আলোকচিত্রই সমব্যথী , ভদ্র এবং ব্যক্তিগত । তারা দর্শককে নিজেকে দেখতে দিতে চেষ্টা করে ।তারা কোনো উপদেশ না দিতে চেষ্টা করে । এবং শিল্পের ভান না করতে চেষ্টা করে…………..আমি সত্যি জীবনের কাছে কৃতজ্ঞ ।

প্রশ্ন: আপনি ফটোগ্রাফিতে কিভাবে জড়িত হলেন …

কমল দাশ : ফটোগ্রাফি এক ধরনের নেশা। অনেক আগে থকেই এ নেশায় আমি আক্রান্ত। কিন্তু এ নেশা কখনোই পেশা হিসেবে নেইনি। যার কারনে ফটোগ্রাফিতে প্রচুর আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও আমার ভাল/দামী কোন ক্যামেরা নেই বা নেই কোন প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি। যখনই কোন ক্যামেরা হাতে পেয়েছি (তা সেটা ফিল্ম ক্যামেরাই হোক আর মোবাইল ক্যামেরা কিংবা ডিজিটাল ক্যামেরাই হোক) ফটো তুলেছি।
প্রশ্ন: আপনি একজন শৈখিন ফটোগ্রাফারও ডকুমেন্টরি ফটোগ্রাফার, পরে পেশাদার ফটোসাংবাদিকতায় আসলেন অথচ আপনাকে বাণিজ্যিক কাজের ব্যাপারেও অনুৎসাহী বলে মনে হয় না।

Kamol Das Photography  (152)কমল দাশ : একেবারেই না! ফটোগ্রাফি আসলেই একটা বাণিজ্যিক কাজ। এমনকি হাই আর্ট ফটোগ্রাফিও এইটার বাইরে না, তারাও প্রিন্ট বিক্রি করতে চায়! আমি যেটা বলতে চাচ্ছি, এখন যদি আপনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফটোগ্রাফারের কথা ভাবেন, দেখবেন যে সেইটা ফ্যাশন ফটোগ্রাফার স্টিভেন মিজেল না, আন্দ্রে[?  গার্স্কি, যিনি কিন্তু এখন আর্ট মার্কেটে সবার উপরে আছেন। মজার ব্যাপার হল যে আর্ট মার্কেটকে অর্থনৈতিক ভাবে অধিকাংশ সময়েই, বাণিজ্যের দরিদ্র ভাই হিশাবে দেখা হয়, সেটাই এখন ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিকেও অনেক দূর ছাড়িয়ে গেছে! আপনি যে কোন ফটোগ্রাফারকে জিজ্ঞেস করে দেখেন সে কি করতে চায়, দেখবেন তারা হয়ত বলবেঃ আমি আমার নিজের মত কাজ করতে চাই, আমি আমার কাজ প্রিন্ট হিশাবে বেচতে চাই। আলটিমেটলি, এইটা কিন্তু একটা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যই। সুতরাং, আমরা কখন্ওই এই বাণিজ্যিক ব্যাপার স্যাপার থেকে দূরে থাকতে পারব না।

Kamol Das Photography  (36)(1)প্রশ্ন: আপনি দেশবিশের অনেক খ্যতিমান মানুষের পোট্রেট ছবি তুলেছেন , আমরা যেটা নাসির আলী মামুন কে তুলতে বেশি দেখি , এইটা আপনার মধ্যে কিভাবে কাজ করেছে?

কমল দাশ : সত্যি কথা বলতে নাসির আলী মামুন ভাইয়ের ছবি তোলা দেখেই আমার আগ্রহ এইটার প্রতি . বলতে পারেন আমি তার ভাবশিষ্য .

প্রশ্ন: দেশবিদেশে আলোকচিত্রশিল্পীদের কার কার আলোকচিত্র আপনার ভালো লাগে ?
কমল দাশ : আমার কাছের দিয়ে শুরু করি আমার বন্ধু রাজেশ , অনুরুপ টিটু ,  জসীম সালাম , এরপর বলতে পারি পাভেল রহমান , তাপস সোম , শোয়েব ফারুকী , নাসির আলী মামুন , হাসান চন্দন ,শহীদুল আলম আবীর , শাহাদাত পারভেজ , মুনেফ ওয়াসিফ , আর দেশের বাইরে বলা যায় আমি যাদের ভাবশিষ্য নবুয়্যোশি আরাকি, রঘু রাই , স্টীভ , ডেবিট লাজার রবার্ট ফ্রাঙ্ক, ল্যারি ক্লার্ক এবং উইলিয়াম ক্লেইন আরো অনেকই আছে ।

Kamol Das Photography  (133)প্রশ্ন:আপনি সবসময়ই এমন বল কেন যে ফটোগ্রাফির নিজরেই একটা মৃত্যু গন্ধ আছে?
কমল দাশ : গতি জড়তা কী, তা তৈরি করাটা এক ধরনের মৃত্যু। ক্যামেরা নিজে, ফটোগ্রাফ নিজে, মৃত্যুর ডাক দিয়ে যায়। এছাড়াও, যখন আমি ফটোগ্রাফি করি তখন আমি মৃত্যুর কথা ভাবতে থাকি, যেটা ফটোগ্রাফির প্রিন্টের মধ্য দিয়া বাইর হয়ে আসে। হয়তো বা সেটা প্রাচ্যের, গৌতম বুদ্ধের ভাব ধারণা থেকে আসা। আমার কাছে ফটোগ্রাফি একটা ক্রিয়া, যেটা সাবজেক্টের ভেতর দিয়ে আমার নিজ সত্ত্বাকে বের করে নিয়ে আসে। মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ার গন্তব্যে যায় ফটোগ্রাফি। বাস্তবতা রংয়ের মধ্যে অবস্থান করে, কিন্তু ফটোগ্রাফির শুরুতে বাস্তবতাকে সবসময় রংহীন করে ফেলে, এবং সেটা সাদা-কালোয় রূপ নেয়। রং জীবন আর সাদা-কালো মৃত্যু। ফটোগ্রাফির আবিষ্কারের মধ্যেই একটা ভুত লুকায়া ছিল।

প্রশ্ন: আপনার এখন সব শেষ আচ্ছন্নতা কী ? :

কমল দাশ : আমার একটা আচ্ছন্ন করা সাবজেক্ট হল, মৃত্যু থেকে জীবনের দিকে যাত্রা। ডায়রির মতো এ কাজটা করে যাচ্ছি। একটা সাধারণ ক্যামেরা দিয়ে সব ছবি তুলেছি। ফটোগ্রাফি হল ক্যামেরার সহযোগিতায় একটা কাজ। প্রত্যেক ক্যামেরাই আলাদা। আমাদের সময়কে কেবল একটা ক্যামেরা দিয়ে ধারণ করা সম্ভব নয়।

প্রশ্ন: অনেক শিল্পীই ইদানিং ফটোগ্রাফিকে একটা কনসেপচুয়াল মিডিয়াম হিশাবে ব্যবহার করেনঃ বোঝাই যায় যে, তারা ছবিটার ব্যাপারে আগ্রহী এবং সেই ছবির প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে আগ্রহী। কিন্তু তারা সেই ছবির গঠন কিংবা কৌশলগত বিষয়ে খুব দৃঢ়ভাবে আগ্রহী হননা, এমনকি ফটোগ্রাফির ইতিহাস এবং সেখানে তাদের অবস্থানের ব্যাপারেও না। একটু আগেই আপনি বললেন, ছবি তোলাটা এখন খুব সহজ, সেটাও একটা কারণ। আপনি কি খেয়াল করেছেন, কিংবা ভেবেছেন যখন ফটোগ্রাফি শিল্প জগতের সাথে মিশে গেছে, তখনই কিছু একটা পরিবর্তন ঘটেছে?
কমল দাশ : নিশ্চিতভাবে। এখন যেভাবে আপনারা ফটোগ্রাফিকে দেখেন, তাতে একটা বিশাল পরিবর্তন ঘটে গেছে। দশ বছর আগেও টেট গ্যালারি ফটোগ্রাফ কিনত না, যদি না সেটা একজন শিল্পীর করা হত, কিন্তু এখন তারা অন্যান্য লোকজনের কাছ থেকে ছবি কেনে এমনকি আমার মত লোকের কাছ থেকেও। এইটা তাদের পরিচালনা নীতির বিশাল পরিবর্তন। এখন যদি আপনি একটা আর্ট ফেয়ারে যান, এক তৃতীয়াংশ ছবিই হল ফটোগ্রাফি।

প্রশ্ন: আপনার ছবি নিয়ে মানুষের ভাবনা কি বলেন?

কমল দাশ : ক্যামেরায় চোখ রেখে জীবনের গল্প………….আমি যখন ছবি তোলা বিষয়কে একজন ক্যামেরা শ্রমিক ( ফটোসাংবাদিক ) হিসেবে নিলাম . বিষয়টা কিছু মানুষ প্রতিপক্ষ হিসেবে নিল । পত্রিকার নিদিষ্ট ছবি বাইরে নানা বিষয়ে ছবি তুলছি অনেক বছর হল । এই ফটোগ্রাফি আমাকে এতো পরিচিত করে তুলবে ভাবি নাই । এই শহরের আনাচে – কানাচে কোনো না কোনোভাবে কেউ একজন বলে ভাইয়া আপনি ফটোগ্রাফার কমল দাশ না । এই ফেইসবুকের কল্যাণে আজ পরিচিত আমি । আমার এতো প্রতিপক্ষ আর নিন্দুক থাকার পরও সবকিছু ছাপিয়ে অনেক অনেক মানুষের ভালোবাসা আর সহযোগিতা পেয়েছি অবলীলায় ……। আমি প্রতিপক্ষ বড়ই ভালোবাসি… তারা আমার একধরণের প্রেরণা ও কাজ করবার খিদেটা  বাড়িয়ে দিয়েছে… আমি কৃতজ্ঞ এই প্রতিপক্ষ ও নিন্দুকের কাছে । যদিও ভালোবাসার মানুষের তুলনায় এরা খুবই নগন্য । তবুও তাদের সালাম আমার আমাকে দাঁড়াতে শেখাচ্ছে ।

Kamol Das Photography  (4)প্রশ্ন: আপনার কাছে শেষ প্রশ্ন , আপনাকে ফটোগ্রাফির অনুপ্ররণা কে দিয়েছিলেন …
কমল দাশ : অবশ্যই আমার বাবা । যিনি আমার ইহজীবনের স্বপ্ন পুরুষ । আধুনিক মানুষ বলতে যা বোঝায় ।আমার ভালোলাগা সব কিছু যিনি অবলীলায় সমথন দিয়েছে ।আমি সত্যি জীবনের কাছে কৃতজ্ঞ ।

দগ্ধরা কতো কষ্ট পায় বার্ন ইউনিট এসে দেখলাম -মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী

 

indexঢাকা অফিস : মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, জামায়াতের অঘোষিত আমির বেগম জিয়ার বদৌলতে বার্ন ইউনিট চিনলাম। দগ্ধরা কতো কষ্ট পায় এসে দেখলাম।বিএনপি ১০০ দিনের কর্মসূচিতেও জনগণ সাড়া দেয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

জানায়ায় বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে দগ্ধদের মধ্যে অর্থসহায়তা প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নার্স খাদিমুল ইসলামের ‘মুজিব মানে বাংলাদেশ’ বই বিক্রির ৫০ হাজার টাকা বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের মাধ্যমে দগ্ধদের মাঝে দেওয়া হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন মো: গণি মিয়া, বার্ন ইউনিটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন ও অন্যান্যরা।

চট্টগ্রামের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ আমাকে মেয়র হিসেবে দেখতে চায়: আজম নাছির

27258ef4bfc1bc6116346ac351bd9ed3চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনের জন্য যাবতীয়  প্রস্তুতি  নিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দিন। দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি জয়ী হবেন বলেও জানান চট্টগ্রাম নিউজকে।  মেয়র নির্বাচন নিয়ে সম্প্রতি তিনি চট্টগ্রাম নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে-নিজে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম শহরের আদি বাসিন্দাদের মধ্যে অনেক দিনের দুঃখ এবং কষ্ট রয়েছে, তারা কখনো নেতৃত্বে আসতে পারছেনা। দীর্ঘদিন পর আমি মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হয়েছি। এখন তারা খুশি-আমাকে মেয়র নির্বাচনের জন্য বলছেন। আমার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন। আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী তিনবারের সফল মেয়র ছিলেন, আমি উনার (মহিউদ্দিন চৌধুরীর) সফলতাকে কাজে লাগাবো।

চট্টগ্রামের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ আমাকে মেয়র হিসেবে দেখতে চায়। তারা তাদের মনের কথা আমাকে বলেছেন। জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী এখন তরুণ নেতৃত্বকে প্রাধান্য দিচ্ছেন উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, সব দিক বিবেচনা করে আমি মনে করি মেয়র নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আমি আশাবাদী।
আ.জম নাছির উদ্দিন বলেন, বিগত সময়ে মহিউদ্দিন চৌধুরী দলের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন সময়ে মেয়র নির্বাচন করেছেন। পরপর তিনি তিনবার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি সফল মেয়র। আমিও এখন যেহেতু দলের সাধারণ সম্পাদক সবাই মনে করছেন এখনই নাগরবাসীর সেবা করার সুর্বন সুযোগ। তাই নগরবাসীর চাহিদা পূরনসহ নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতেই মেয়র নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
আওয়ামী লীগের মধ্যে মেয়র প্রার্থী অনেক-এই ক্ষেত্রে নিজেদের অভ্যন্তরিন কোন্দল মিটিয়ে জয়ের সম্ভাবনা কতটুকু জানতে চাইলে আ.জ.ম নাছির উদ্দিন বলেন, নগর আওয়ামী লীগের মধ্যে কোন কোন্দল নেই। সভাপতি (এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী) এবং আমি অভিন্ন চিন্তায় কাজ করবো। এখনো আমাদের মধ্যে কোন মত পার্থক্য নেই। আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি উনাকে (এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে) নিয়ে কাজ করবো। আর উনাকে দিলেও উনি বলেছেন আমাকে নিয়ে কাজ করবেন।
আজম নাছির আরো বলেন, এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন দল সরাসরি মনোনয়ন দেন না। পরোক্ষ ভাবে মনোনয়ন দিয়ে থাকেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বলেছেন (প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে মুরাদপুর-লালখান বাজার ফ্লাইওভার উদ্বোধনে এসে চট্টগ্রামের নেতাদের বসে প্রার্থী ঠিক করার জন্য বলেছিলেন) সেই ভাবেই আমরা মহানগর আওয়ামী লীগ বসে সিদ্ধান্ত নেবো। এই সিদ্ধান্ত আমরা নেত্রীকে জানাবো উনি যাকেই মনোনয়ন দেন-তার জন্য সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করবো। এই ক্ষেত্রে সভাপতি এবং আমি এক মত আছি। আমাদের মধ্যে এই ব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই এবং মত পার্থক্য হবেনা।
আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থীর ব্যাপারে নগর আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা  জানান, যে কেউ প্রার্থী হতে পারেন। তবে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে দল যাকে মনোনদলের দিবে তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।
সিডিএর ছালাম সাহেব দলের শৃঙ্খলার বিঘ্ন সৃষ্টি ঘটাতে পারে এই কারনে তাকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। মেয়র নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ ব্যক্ত করতে পারেন। তবে দলের কোন মতামত না নিয়ে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সভা করাটা দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই উনাকে এআ ব্যাপারে চিঠি দেয়া হয়েছে। এখানে বিরোধীতার কিছু নেই। দলের ভেতর থেকে সভায় অভিযোগ উঠেছে-তাই উনকে চিঠি দিলাম।
নিজের সাংগঠনিক অবস্থানের কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে আজম নাছির উদ্দিন এই প্রতিবেদককে জানান, আমি ছাত্রলীগ থেকে রাজনীতি করতে করতে আজকের এই পর্যায়ে এসেছি। আমি বিগত সময়েও দলের জন্য কাজ করেছি। তাই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে দেশের একটি অনন্য মডেল সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করবো। জলাবদ্ধতাকে প্রধান্য দিয়ে পরিস্কার-আধুনিক পরিবেশ বান্ধব দৃষ্টিনন্দন কর্পোরেশনে পরিণত করার ঘোষণা দেন আজম নাছির উদ্দিন।

নিজেকে আর কোরবানী দিবনা, এবার অবশ্যই মেয়র নির্বাচন করব : সোলায়মান শেঠ

shatনজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম অফিস: মেয়র পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়ে বারবার দলের চেয়ারম্যানসহ সরকারি দলের অনুরোধে সরে আসলেও এবার আর নিজেকে কোরবানী দিতে রাজি নয় বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম নিউজ ডটকমকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠ। মেয়র নির্বাচন নিয়ে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বারবার নিজেকে কোরবানী দেব না, এবার দলের সমর্থন নিয়ে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সচেতন নাগরিক সমাজ থেকে মেয়র নির্বাচন করবো। আপনি তো এর আগে আরো দুইবার মেয়র নির্বাচন করবেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করেননি। এবার করবেন তো? এমন প্রশ্নের জবাবে সোলায়মান আলম শেঠ চট্টগ্রাম নিউজকে জানান, আমি নির্বাচন করার পুরো প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। এখন প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে ভালো কোন সম্মানজনক স্থানে বসান তাহলে আমি মেয়র নির্বাচন করবো না। তখন পার্টিসহ (জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এবং বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ) বসবেন। আমিও চিন্তা করবো। তখন আমি নির্বাচন করবো না। আপনার তো নাকি দলের প্রাথমিক সদস্য পদও নেই তাহলে দল থেকে কিভাবে নির্বাচন করবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে সোলায়মান আলম শেঠ নিজেকে এখানো দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য দাবি করে তা প্রমাণ করতে গত ২৩ ডিসেম্বর পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ তাকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য উল্লেখ করে যে চিঠি দিয়েছেন তা এই প্রতিবেদককে দেখান। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে- সোলায়মান আলম শেঠ, প্রেসিডিয়াম সদস্য। চিঠিটি গত ১ জানুয়ারি ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে উপস্থিত থাকার জন্য কেন্দ্র থেকে পাঠানো হয়েছে। এতে পার্টির চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর রয়েছে। নিজে মেয়র নির্বাচন করলে জয়-পরাজয়ের ব্যাপারে জানতে চাইলে সোলয়মান আলম শেঠ বলেন, আমি নির্বাচনের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছি। ওয়ার্ড ও থানা আমার আগে থেকেই গোছানো আছে। আমাকে তেমন বেগ পেতে হবেনা। আওয়ামী লীগ-বিএনপির মতো বড় দুটি দলের মাঝখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কিভাবে মেয়র নির্বাচিত হবেন তা জানতে চাইলে সোলাইমান আলম শেঠ জানান, আওয়ামী লীগের প্রার্থী বেশি, তাদের মধ্যে গ্রুপিংও বেশি। এদিকে বিএনপির মধ্যেও অনেক প্রার্থী-অনেক কোন্দল। জাতীয় পার্টিতে আমি ছাড়া আর কেউ প্রার্থী নেই। এই জন্য আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বেশি। আমার মনে হয় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বেশি-কোন্দলও, সেই কারণে শেষ মুহূর্তে আমাকেই সমর্থন দিবে সবাই। সোলায়মান আলম শেঠ বলেন, গতবার মেয়র নির্বাচনের সময় আমি প্রার্থী হয়ে ছিলাম-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ডেকে নিয়ে নির্বাচন না করার জন্য বলেছেন। আমাকে উনার সফর সঙ্গী করে জার্মান-অস্ট্রেলিয়া নিয়ে গিয়েছিলেন। এর আগের বার আমার দলের চেয়ারম্যান স্যার (হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ) আমাকে নির্বাচন না করার জন্য বলেছিলেন। সেই কারণে আমি ছেড়ে দিয়েছিলাম। এবার ছেড়ে দেয়ার কোন প্রশ্ন আসছে না। কথা প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির এই নেতা আরো জানান, গত ১২ অক্টোবর আমাদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশান এরশাদ এমপি আমাকে সিডিএ চেয়ারম্যান অথবা তিন পার্বত্য জেলা উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার দিয়েছিলেন। মহানগর জাতীয় পার্টির মধ্যে তো বিরোধ-তারপরও কেমন করে আপনি মেয়র নির্বাচন করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন-দল থেকে যাকে মনোনয়ন দিবে তারপক্ষে দলের স্বার্থে সবাই কাজ করবে। এটাইতো দলের নিয়ম। আমি তো কারো কাজে বিরোধীতা করছিনা। আর মহানগর জাতীয় পার্টি তো আমার হাতেই গোছানো। প্রতিটি থানা এবং ওয়ার্ড আমি আগে থেকেই গুছিয়ে রেখেছি। ইতোমধ্যে আমি আমাদের দলীয় মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু সাহেবকে হাসপাতালে দেখতে গেছি। উনার সাথে আমার কথা হয়েছে। দলের নেতাকর্মীরাও আমার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। আমি মনে করি এবার একটি সুযোগ এসেছে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের সেই সুযোগ কাজে লাগানো উচিত।

নারীর ভাল হওয়ার উপায় আগে নষ্ঠ হওয়া: তসলিমা নাসরিন

চট্টগ্রাম নিউজ ডেস্ক: তসলিমা নাসরিন যে সকল প্রগতিশীলimages কবি, লেখক ও বুদ্ধি জীবিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নিজের পবিত্র নরম দেহকে যাদের ঠোটে তুলে দিয়েছিলেন তারা আজ অনেকেই তসলিমা নাসরিনের গায়ের গন্ধ নাকে নিয়ে কবরে শুয়ে আছেন । যারা বেচে আছেন তারাাো তসলিমা নাসরিন অপবাদ আর তিরস্কার করে যাচ্ছেন। কিন্তু একটি মেয়েকে ভাল হতে হলে তাকে আগে নষ্ঠ হয়ে যেতে হবে। তসলিমা নাসরিন লিখেছেন আমাকে এখন ভাল হয়ে যেতে হবে। খারাপ হওয়ার আর কোন জায়গা নেই। দেশের যোন কর্মীরা তাদের দেহের বিনিময়ে কিছু টাকা পায়। তাদের যতটুকু মানূষ ঘৃনা করেনা তার চেয়ে বেশী ঘৃনার পাত্র এখন আমি। আর যারা বেচে আছেন তাদের অনেকের বয়সের ভারে নারী দেহের সাদ নেয়ার ক্ষমতা লিঙ্গ থেকে ঝরে গেছে বসন্তের পাতার মত . . .মাঝে থেকে তসলীমা নাসরিন তার মাঝ বয়সী যৌন পিপাশক্ত যৌবন নিয়ে পড়েছেন বিপাকে । সতীত্ব হারা দেহের প্রতিটি ভাজে এখন শত শত পুরুষের গন্ধ . . . তার গায়ের মৃদু রেখা আজ যে কত পুরুষের চেনা . . আদিম যুদ্ধে ক্লান্ত দেহের কোমল অংগ তার ঝুলে পরেছে পেটের দায়ে রাতের মেয়েরা নিজের দেহকে পরপুরুষের হাতে তুলে দেয় অপবিত্র করতে, খদ্দের তার পয়সা উসুল করে কড়ায় গন্ডায়, একদল নার পশুদের যৌন ক্ষুধা মিটে তার দেহে. . . আর্তনাদ গুলো তার রাতের আধারে গলে যায় . . . কিন্তু তসলীমা কেন তার দেহ দিল ? এ বয়সের মেয়েরা সুই শুতা রান্না বারি কান্না কাটি নিয়ে থাকতে পছন্দ করে , ছেলে মেয়ে কে নিয়ে সপ্ন দেখতে পছন্দ করে, স্বামীর গলা ধরে আহলাদ করতে আর সংসারের ঝুট ঝামেলা নিয়ে ভাবতে পছন্দ করে . . . যা তার একটিও নেই , হবেওনা কোন দিন , যারা এতদিন তার পায়ের গোড়ালী থেকে ঠোট পর্যন্ত যৌবন টুকু চেটে পুটে খেয়েছে তারা তাকে সমাজের আরালে একান্তে বিছানায় পেতে চায়, সে প্রগতিশীলরা তাকেকি একটা সমাজ শিকৃত বৈধ সন্তান দিবে ? দিবেকি তারা, তার দেহে প্রবাহিত তাদের হাজারও অন্যায় বীর্জপাত হতে শুধু এক ফোটা বীর্জের পরিচয় ? না , দিবে না ! তসলিমা যা হারিয়েছে তা আর কখনও ফিরে পবে না । তাইতো কুমারী আর স্বতী নারীদের সে আহবান করে তার মত নগ্ন জীবন জাপনের, লেজ কাটা শিয়াল চায়না কারোর লেজ থাকুক,তসলীমার জীবন ইতিহাস পরলে জানা যায় সে তার রক্তের আত্মীয় দ্বারা অত্যান্ত মর্মান্তিক ভাবে ধর্ষীতা হয়েছে , তাকে ধর্ষন করেছে তার আপন চাচা, যাকে দেখতে তার অবিকল বাবার মত দেখাত . . . সেখান থেকেই তার পুরুষ মানুষকে ঘৃনা করতে শেখা . . আর এর শুযোগ নিয়েছে বাম পন্থী কিছু বুদ্ধিজীবি, লুটে পুটে খেয়েছে তার যৌবন, খাবলে খুবলে সাদ নিয়েছে এক দুঃখী সরল ছোট্ট মেয়ের দেহটির . . . আর তাকে বুঝিয়েছে এই তো জীবন . . .তার আর ফিরে যাওয়ার পথ নেই ! সে নগ্ন হয়ে নাচতে নেমেছে. . . তার গায়ের মৃদু রেখা আজ সকলের চেনা . . কি হবে আর ঘোমটা দিয়ে ? কিন্তু তার যে ঘোমটা দিতে ইচ্ছে হয় , স্বামীর কাছে অহলাদী সুরে বায়না ধরতে ইচ্ছে হয় . . . কিন্তু কোন পুরুষ কি চাইবে একটি রাতের মেয়েকে তার ঘরনী করতে ? যে তার শত পুরুষের গ্রাসে সতীত্ব হারিয়েছে . . .যে প্রগতিশীলরা তার দেহকে নিয়ে খেলেছে দিনের পর দিন বিনিময় তাকে উপাধি দিয়েছে “মুক্তমনা” কই তাদের কোন মেয়েকে তো মুক্তমনা হতে দেয়নি ! তাদের সংসার আছে , আছে ঘর কন্যার সব কিছু . . . এ পথ কি তাহলে সর্বনাশের ? দেহ দিয়েছি, দেশ ছেড়েছি, কিন্তু কি পেয়েছি ?এত দিন পর সে বুঝেছে .. সেই তথাকথিত প্রগতিশীলদের কাছে সে ছিল মাত্র এক খন্ড মাংস পিন্ড , প্রান হীন. . . নিথর . . বীর্জ সংক্ষলনের টয়লেট

সূত্র একটি বিদেশী সংবাদ সংস্থা

বাংলাদেশের অপার সৌন্দর্য্য ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে দীর্ঘ সাইক্লিং অভিযান

cylicingচট্টগ্রাম অফিস: বৃহস্পতিবার ২০ নভেম্বর চট্টগ্রাম ক্লাবের সামনে থেকে শুরু হবে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘দীর্ঘ সাইক্লিং অভিযান বাংলাদেশ ডিসকভারী রাইড ২০১৪’।  অভিযাত্রীরা  বৃহস্পতিবার থেকে  ২৩ নভেম্বর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পর্যন্ত ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবেন।
পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠিকে সাহায্য, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও পরিস্কার পরিচ্ছনতা ইত্যাদি লক্ষ্য সমূহ বাস্তবায়ন এবং সর্বোপরী বাংলাদেশের অপার সৌন্দর্য্য ও সম্ভাবনাকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে আগামী ২০ নভেম্বের হতে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত শুরু হচ্ছে সাইক্লিং অভিযান বাংলাদেশ ডিসকভারী রাইড ২০১৪। জাপান কগ্ওয়ে সাইক্লিং এন্ড কালচারাল এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশনের আয়োজনে জাপান দূতাবাস , বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড, জাইকার সহযোগিতায় এই ইভেন্টের অন্যতম সহযোগী চট্টগ্রামস্থ জাপানের অনারারী কনসাল জেনারেল, বিডি সাইক্লিং ও আরটিভি। সমন্বয়ে রয়েছে জাবা এক্সপ্রেস। Sponsors: IFAD Group, Cosmos Group, A.K.Khan & Company Limited, Uttara Motors Ltd, AB Bank,Mitsubishi Corporation, Eastern Motors Ltd, ASTECH Ltd, PEDROLLO Ltd, Mercantile bank ,Nabisco Biscuit & Bread Factory Ltd, Abdul Monem Ltd । ইতোমধ্যে ৫০ জন বাংলাদেশী ও ৪৫ জন বিদেশী মোট ৯৫ জনের সাইক্লিং টিম গঠিত হয়েছে। যারা বৃহস্পতিবার ২০ নভেম্বর চট্টগ্রাম ক্লাব প্রাঙ্গঁন থেকে যাত্রা শুরু করে ২৩ নভেম্বর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পর্যন্ত ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবেন। মাঝপথে তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যাত্রা বিরতি ও জনসচেতনতা মূলক ক্যাম্পিং করবেন। এই দীর্ঘযাত্রা পথে তারা বার্তা বহন করবেন বন্ধুত্ব, পরিবেশ সুরক্ষা ও পরিস্কার পরিচ্ছনতা ইত্যাদি, যা দেশী বিদেশী বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করা হবে আশা করা যাচ্ছে। বাংলাদেশের এই প্রথম ও দীর্ঘতম সাইক্লিংসফল করে তুলতে সর্বস্তরের শ্রেনী পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান কগ্ওয়ে বাংলাদেশের জেনারেল সেক্রেটারী ইউরিকো ওয়েদা।

 

 

 

নিজেই নিজেকে নষ্ট করেছি: তসলিমা নাসরিন

mamunipb_1311015541_1-12চট্টগ্রাম নিউজ ডেস্ক: তসলিমা নাসরিনের মুখোমুখি
কেমন আছেন বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন? প্রায় দেড় যুগের মতো তিনি স্বেচ্ছায় নির্বাসনে। বিদেশে বসেও থামেনি তার লেখালেখি। পেয়েছেন কলকাতার আনন্দ পুরস্কারসহ লেখিকা হিসেবে বিশ্বের অনেক পুরস্কার। কিন্তু এবারের কিংবা তার আগের বেশ ক’টি বই মেলায় নতুন কোন সাড়া জাগানো বই নেই তার। আগের মতো লিখতে পারছেন না বা লিখছেন না। ‘উতল হাওয়া’, ‘আমার মেয়ে বেলা’, ‘ভ্রমর কইও যাইয়া’, বা ‘ক’ -এর মতো বই আর আসছে না। আগের মতো কাব্যও নেই, কাবিতাও না। একাধিক স্বামী ও একাধিক পুরুষের সাথে তার দেহজ সম্পর্কের কথা তো তিনি বেশ রসিয়ে লিখেছেন। কিন্তু আজকাল বয়সের কারণে নারী হিসেবে আর এই সম্পর্ক অব্যাহত রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এখন তিনি হতাশ, চোখের নিচে কালি পড়েছে, চামড়ায় বয়সের চাপ, শরীরের মধ্যে নানারকম ব্যথা-ব্যদনা তো আছেই। একাকিত্ব তাকে আরও পঙ্গু করে দিচ্ছে। এমনি অবস্থায় বিদেশের কোথাও থিতু হতেও পারছেন না। দেশে ফেরাও তার জন্য দিন দিন কঠিন হয়ে গেছে। যেই মৌলবাদীদের ভয়ে তিনি দেশ ছেড়েছিলেন, সেই ভয় এখনও তাকে তাড়িয়ে মারছে। লন্ডন থেকে দিন কয়েকের জন্য গিয়ে ছিলাম ভারতে। আর কাকতালীয় ভাবেই দেখা গেল এই বিতর্কিতা লেখিকা ডা. তসলিমা নাসরিনের সাথে। তিন দিনের নানা বিষয়ে তার সাথে কথা হলো। এ বিষয়গুলো তুলে ধরতেই আজকের এই প্রয়াস।
প্রশ্ন : আপনার কাছে একটা প্রশ্ন। এই যে লেখালেখি করলেন, এর মূল উদ্দেশ্য কি ছিল, দেহের স্বাধীনতা না চিন্তার স্বাধীনতা? তসলিমা : প্রশ্নাট আপেক্ষিক। আসলে আমিতো পেশায় ছিলাম চিকিৎসক। আমার বাবা চেয়েছিলেন তার মতো মানে অধ্যাপক ডা. রজব আলীর মতো আমিও একজন খ্যাতিমান চিকিৎসক হই। শৈশবে, কৈশোর এবং যৌবনে আমি অনুভব করি, নারীরা আমাদের সমাজে ক্রীতদাসীর মতো। পুরুষরা তাদের ভোগ্যপণ্যের মতো ব্যবহার করে। এ কারণেই বিষয়গুলো নিয়ে প্রথমে লেখালেখির কথা ভাবি।
প্রশ্ন : আমার প্রশ্নের জবাব হলো না। কি স্বাধীনতার দাবিতে আপনার এই লড়াই?
তাসলিমা : আমি প্রথমত নারীর জরায়ুর স্বাধীনতার দাবি তুলি। একজন পুরুষ যখন চাইবে, তখনই তার মনোস্কামনা পূর্ণ করতে ছুটে যেতে হবে। এটা তো হতে পারে না। অথচ তখন ছুটে না গেলে জীবনের সব পূণ্য নাকি শেষ হয়ে যাবে। চিন্তার স্বাধীনতা না থাকলে ভালো লেখক হওয়া যায় না। দেহের স্বাধীনতার বিষয়টা গৌণ। তবে একেবারে ফেলনা নয়। পুরুষই একচেটিয়া মজা লুটবে, নারী শুধু ভোগবাদীদের কাছে পুতুলের মতো হয়ে থাকবে, এটা মেনে নিতে পারিনি।

প্রশ্ন : আপনি পরিকল্পিতভাবে নিজেকে আলোচিত ও অপরিহার্য করে তোলেন। আজ বাংলা সাহিত্যে বা বাংলাদেশের সাহিত্য জগতে আপনি তো চরমভাবে অবহেলিত।
তাসলিমা : আমি একটা আলোড়ন সৃষ্টি করেছি। সত্য কথা সাহিত্যে এলে তা অনেকের জন্য কষ্টদায়ক হয়। আমি আমার বহু স্বামী ও ভোগ্য পুরুষদের নামধাম প্রকাশ করে দেয়ায় অনেক বন্ধু আমাকে এড়িয়ে চলেন। বাংলা সাহিত্যের অনেক দামি দামি পুরুষও চান না যে আমি দেশে ফিরি। এক সময় আমার বিপক্ষে ছিল কট্টর মৌলবাদীরা। এখন প্রগতিশীল অনেক সাহিত্যিকও বিপক্ষে। কারণ এদের নষ্ট মুখোশ আমি খুলে দিয়েছি।
প্রশ্ন : আপনি চিকিৎসক থাকলেই ভালো করতেন। মিডিয়াতে কেন এলেন? সাহিত্যেই বা কেন ঢুকলেন?
তাসলিমা : আমি নারীর অধিকার নিয়ে ভেবেছি। কিন্তু এখন মনে হয় আমি মানবিকভাবে আশ্রয়হীন। আর এ কারণেই আমি অন্য স্রোতে সুখ খুঁজেছি। পরিবার হারালাম, স্বামী সন্তান হলো না, ঘর-সংসার হলো না। তখন দৈনিক সম্পর্কে নেশাগ্রস্ত না থেকে আর কোনো পথ খোলা ছিলো না।
প্রশ্ন : এখন আপনি কী চান? তাসলিমা : অনেক কিছু। আমার হারিয়ে যাওয়া জীবন, যৌবন, ভোগ-উপভোগ, স্বামী-সন্তান, পরিবার-পরিজন। কিন্তু দিতে পারবেন কি? আজ আমি নিজ দেশের কাউকে দেখলে কুণ্ঠিত ও লজ্জিত হই। খ্যাতি, অর্থ, পুরস্কার সবই আছে, তবুও মনে হয় আমি ভীষণ পরাজিত। দিনে হই চই করে কাটাই, রাত হলে একাকিত্ব পেয়ে বসে। আগের মতো পুরুষদের নিয়ে রাতকে উপভোগ করার মতো শরীর মন কোনটাই নেই। প্রশ্ন : পুরানো বন্ধুরা যোগাযোগ রাখেনি? এখন কেমন পুরুষ বন্ধু আছে?
তাসলিমা : এক সময় অনেক ব্যক্তিত্ববানদের পেছনে আমি ঘুরেছি। ব্যক্তিত্বহীনরা আমার পেছনে পেছনে ঘুরেছে। আজকাল আর সুখের পায়রাদের দেখি না। মনে হয় নিজেই নিজেকে নষ্ট করেছি। পরিচিত হয়েছি নষ্ট নারী, নষ্টা চরিত্রের মেয়ে হিসেবে। লেখালেখি করে তাই এসব পুরুষদের উপর আমার রাগ, ঘৃণা ও অবহেলাকে প্রকাশ করেছি। যৌনতার রানী হিসেবে প্রকাশিত হলাম, অথচ এই রানীর কোনো রাজাও নেই প্রজাও নেই। এই জন্য আজ হতাশায় নিমজ্জিত আমি।
প্রশ্ন : ধর্ম-কর্ম করেন?
তাসলিমা : মাঝেমধ্যে মনে হয় সব ছেড়ে নামাজ-রোজা করি, তাওবা করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করি। কম্যুনিস্টরাও তো একসময় বদলে যায়। আমার জন্ম ১২ ই রবিউল আউয়াল, মহানবীর জন্মদিনে। নানী বলেছিলেন, আমার নাতনী হবে পরহেজগার। সেই আমি হলাম বহু পুরুষভোগ্যা একজন ধর্মকর্মহীন নারী। বলা তো যায় না, মানুষ আর কত দিন বাঁচে। আমার মা ছিলেন পীরের মুরীদ। আমিও হয়ত একদিন বদলে যাবো।
প্রশ্ন : বিয়ে-টিয়ে করবার ইচ্ছে আছে কি? তাসলিমা : এখন বিয়ে করে কি করবো? পুরুষটিই বা আমার মধ্যে কি পাবে? সবই পড়ন্ত বেলায়। যে বিয়ে করবে, সে যদি আমার মধ্যে যৌন সুখ না চায়, সন্তান না চায়, এমন মানব পেলে হয়ত একজন সঙ্গী করার কথা ভাবতেও পারি।প্রশ্ন : আপনি কি একেবারে পুরিয়ে গেছেন?
তাসলিমা : না, তা ঠিক নয়। তবে পুরুষতো শত বছরেও নারীকে সন্তান দেয়। মেয়েরা তো পারে না। আমার এখনও রজস্রাব বন্ধ হয়নি। মেশিনারি ঠিক আছে। তবে নতুন বা আনকোরাতো নয়, লক্কর ঝক্কর মেশিনারির মতো আরকি? পুরুষদেরও বয়স বাড়লে খাই খাই বেড়ে যায়। এতটা মেটানো তো আর এই বয়সে সম্ভব হবে না।
প্রশ্ন : বয়স বাড়লে পুরুষেদের সেক্স বাড়ে এটা কিভাবে বুঝলেন? তাসলিমা : কত বুড়ো, মাঝ বয়েসী ও প্রবীণ বন্ধুদের নিয়ে দেহজ খেলায় মেতেছি, এটা আমার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি। প্রশ্ন : রাত যখন বিশ্বকে গ্রাস করে, আপনার ঘুম আসছে না তখন আপনার বেশি করে কি মনে পড়ে? তাসলিমা : খুব বেশি মনে পড়ে আমার প্রথম প্রেম, প্রথম স্বামী, প্রয়াত কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহকে। অনেক কাঁদি তার জন্য। পেয়েও হারালাম তাকে। রাগ হয়েছিল বিয়ের রাতেই। আমি তো ডাক্তার তার পুরুষদণ্ডে ক্ষত দেখি। বুঝতে পেরেছিলাম যাকে জীবন দিয়ে ভালবাসি, সে বেশ্যাবাড়ি যায়। সিপিলিস-গনোরিয়ায় আক্রান্ত সে। তবু তাকে বলি, আজ বাসর রাতে যৌনকেলি হবে না। তোমার শরীরে রোগ। এখন আমার শরীরে তুমি ঢুকলে আমিও এ রোগে আক্রান্ত হবো। তোমাকে সুস্থ করে তুলবো, তারপর হবে আমাদের আনন্দ বাসর। কিন্তু পুরুষতো জোর করতে চাইলো, ব্যর্থ হয়ে চলে গেলো পতিতার বুকেই। প্রশ্ন : অন্য স্বামীদের কথা মনে পড়ে না? তাসলিমা : তারা এমন উল্লেখযোগ্য কেউ নন। তাদের মুরোদ আমি দেখেছি। তার চেয়ে বহু বন্ধুর মধ্যে আমি দেখেছি কেমন উন্মত্ত তেজ। ওদের স্মৃতি মনে পড়ে মাঝে মধ্যে।
প্রশ্ন : দেশে ফিরবেন না? তাসলিমা : দেশই আমাকে ফিরতে দেবে না। আর কোথায় যাবো? বাবা-মা-ভাই-বোন সবাইকে আমি লেখাতে জবাই করে দিয়েছি। আসলে নেশাগ্রস্তই ছিলাম, অনেক কিছু বুঝিনি। আজ আত্মীয়-স্বজনও আমাকে ঘৃণা করে। মরার পর লাশ নিয়ে চিন্তা থাকে, আমার নেই। যে কোন পরীক্ষাগারে দেহটা ঝুলবে। ছাত্রদের কাজে লাগবে।
সুত্র ভারতীয় একটি দৈনিক

 

 

 

 

 

 

 

 

বরিশাল কলোনিতে কয়েকবার অভিযান চালিয়ে দূর করতে পারেনি মাদকের হাট। অভিযান শেষ হলে কিছু দিনের মধ্যেই ফিরে আসে সে পুরনো রূপ। গতকাল দুপুরে তোলা।                                        ছবি: নিজস্ব আলোকচিত্রী

পুরুষের চেয়ে বিড়াল পোষা ভালো : তসলিমা নাসরিন

taslima_45বাংলাদেশের বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন দেশ থেকে নির্বাসিত হয়েছেন ২০ বছর আগে। এই ২০ বছর তিনি ইউরোপ, আমেরিকা, ভারতের নানা প্রান্তে, নানা শহরে থেকেছেন। কলকাতায় থাকার চেষ্টা করলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাকে থাকতে দিতে রাজি হয়নি । তসলিমা জানেন না তিনি আর কখনো দেশে ফিরতে পারবেন কি না।তবে তিনি যেখানেই থাকুক না কেন হৃদয়ে লালন করেন দেশকে। তসলিমার নিজের ভাষায়, ‘এই কুড়ি বছরে কত দেশে থেকেছি, কত শহর পাল্টেছি কিন্তুু কোথাও মনে হয়নি ভালো আছি, এটা আমার দেশ!’ গত কয়েক বছর ভারতের রাজধানী দিল্লিই তার ঠিকানা। তিনি দীর্ঘ মেয়াদে ভারতে থাকার অনুমতি পাবেন বলেও সম্প্রতি সরকার তাকে আশ্বাস দিয়েছে। নির্বাসনের এই ২০টা বছরের দিনরাত, সুখদুঃখ নিয়ে দিল্লির অ্যাপার্টমেন্টে বসে তসলিমা কথা বলেছেন বিবিসি বাংলার সঙ্গে। তিনি বলেছেন- ২০ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি জেনেছেন পুরুষ পোষার চেয়ে বিড়াল পোষা ভালো। তসলিমা বলেন, একা থাকতে থাকতে বদ অভ্যেস হয়ে গেছে। মানুষের ভিড় থেকে নিজেকে সরিয়ে একাই থাকি। বিড়াল পুষতে পুষতে এখন বিড়াল দেখলেই পুষতে ইচ্ছা করে। একা থাকা মেয়েরা নাকি খুব বিড়াল পোষে। এখানে-সেখানে পুড়তে পুড়তে তসলিমা এইটুকু জেনেছে পুরুষ পোষার চেয়ে বিড়াল পোষা ভালো। তার সাথে আলাপের কিছু প্রশ্ন চট্টগ্রাম নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

তিনি বলেন, কুড়ি বছরে কত কিছু ঘটেছে, কত দেশে থেকেছি, কত শহরে থেকেছি। আবার কত শহর পাল্টেছি, কত দেশ বদল করেছি কোথাও মনে হয়নি আমি ভালো আছি। কোনটা মনে হয়নি আমার দেশ। যদিও ইউরোপের নাগরিকত্ব পেয়েছি, কিন্তু ইউরোপকে সত্যিকার অর্থে আমার দেশ বলে মনে হয়নি। সব সময় মনে হয়েছে- আমি নিজের দেশে যাব। আবার এখন, কুড়ি বছর পর মনে হয়- দেশ বলে বোধহয় আমার কিছু নেই। মানুষ যারা আমাকে ভালোবাসে, যারা আমার লেখা পড়ে, বোঝে, যারা শ্রদ্ধা জানায়, তাদেরকেই আমার দেশ বলে মনে হয়। যখন আমি ইতালি যাচ্ছি, নরওয়ে যাচ্ছি, ফ্রান্সে যাচ্ছি- কত মেয়েরা বলে তোমার লেখা পড়ে আমরা শক্তি পায়, তুমি আমাদের অনুপ্রেরণা। তারা ভালোবাসে আমাকে। তাদেরকেই মনে হয় আমার দেশ। দেশ বলতে আমি শুরু মাটি, গাছপালা, বাড়িঘর, যেখানে আমার জন্ম হয়েছিল বা যেখানে আমি বড় হয়েছি সেটাকেই মনে হয়, তা নয়। আমি তারপরও অন্তত আমার দেশে ফেরার অধিকারের জন্য লড়াই করব, যতদিন বেঁচে থাকি ততদিন। প্রশ্ন : পছন্দেই হোক বা অপছন্দেই হোক, গত তিন-চার বছর ধরে দিল্লি আপনার ঠিকানা। আপনি বললেন বহু বছর ঘুরতে হয়েছে, ঠাঁই নাড়া হতে হয়েছে বার বার। এই শহরগুলোকে কতটা আপন করে নিতে পেরেছেন? যেমন ধরুন, দিল্লির প্রসঙ্গে যদি বলি- আপনি কতটা দিল্লিয়াইড হতে পেরেছেন? আপনি কি চাঁদনি চকে গিয়ে বিরিয়ানি খান করিমসে, বা দিল্লির হাটে বাজার করেন। তসলিমা : মাঝে মাঝে মনে হয় পৃথিবীর সব জায়গা আমার। দিল্লির যে জায়গাগুলোর কথা বলছেন ও গুলোতে আমি যাই। আমি দিল্লির হাটে গিয়ে বাজার করি। আমি ইন্ডিয়াগেটে আইসক্রিম খাই। করিমসে গিয়ে বিরিয়ানিও খায়। কিন্তু এগুলোতো দোকান পাঠ, এগুলোতে রাস্তাঘাট। আসল দিল্লিয়াইড হতে যেটা দরকার তা দিল্লির মানুষ আমাকে কতটা আপন করে নিয়েছেন। যেখানেই যাই একটা জিনিস লক্ষ করেছি, সবাই আমাকে আউটসাইডার ভাবে। আমি যতোই এখানকার মানুষ হতে চাই, কিন্তু সবাই আমাকে ভাবে অন্য দেশের, বলে তুমি তো আমাদের নও। প্রশ্ন : এখনো আপনি বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিতা লেখিকা এটাই পরিচয়? তসলিমা : হ্যাঁ এখনো। যদিও আমি ভারতে থাকতে থাকতে ভারতের বিষয়টা বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি জানি। এখানে নিউজ পেপার আসছে সকাল বেলা, টিভি খুলছি, সুতরাং ভারতের খবরগুলো বেশি আসছে। বাংলাদেশে খবরগুলো তেমন আসছে না আমার কাছে। তাছাড়া আমি বিশ্বের খবরও জানছি। বিবিসি, সিএনএন দেখছি, ওতে তো আর বাংলাদেশের খবর এতো করে আসছে না, যদি না বড় দুর্ঘটনা ঘটে। তবে সব জায়গায় কিন্তু আমাকে বলা হয়- তুমি অন্য দেশের। সুতরাং যতোই আমি আপন করে নেয় অন্য শহরকে, মানুষকে, তারপরও তারা একটা দেয়াল রাখে। সেটা সব দেশে দেখেছি। এখানকার সমস্যা নিয়ে আমি যখন প্রতিবাদ করি, তখন কিছু মানুষ আমার বিরুদ্ধে গেলে যায়। বলে তুমি বাইরের লোক আমাদের ভেতরের ব্যাপার নিয়ে কথা বলবে না। কিন্তু আমিতো নিজেকে পৃথিবীর লোক ভাবি। তাই আমি পৃথিবীর সব ব্যাপারে কথা বলি। আমেরিকায় উল্টা-পাল্টা হলে আমি আমেরিকাকে গালাগালি করি। ইউরোপের কিছু প্রোবেলেম দেখলে ওটা নিয়ে কথা বলি। তাহলে ভারতে থাকছি, ভারতের নিয়ে কথা বললে তোমাদের এতো গা জ্বলে কেন। আবার বাংলাদেশ নিয়ে কথা বললে ওখানকার লোক বলে- এই দেশ নিয়ে কথা বলার আর তোমার কোনো অধিকার নেই। এই দেশ তোমাকে তাড়িয়ে দিয়েছে। যে দেশে থাকছো সে দেশ নিয়ে কথা বল। তাই বলে, আমি তো আর থেমে থাকি না। আমি পৃথিবীর যেখানেই থাকি, আমি লিখে যাচ্ছি, আমি বই লিখছি, ব্লগে লিখছি। প্রশ্ন : এই লেখা প্রসঙ্গে আসছি। আপনি একজন লেখক এবং বাংলা ভাষায় লেখালেখি করেন। বাংলা ভাষাভাষি পরিমণ্ডল থেকে এতোদিন ধরে বাইরে থাকতে হচ্ছে- আপনার কি মনে হয় লেখালেখিতে তার প্রভাব পড়ছে?
তসলিমা : আমাকে যখন বাংলাদেশ থেকে তাড়িয়ে দিল, ১৯৯৪ সালে। তখন তো ইউরোপে গিয়ে পড়লাম। খুব চেষ্টা করতাম দেশে ফেরার জন্য। কিন্তু দেশে ফেরা তো সম্ভব হচ্ছিল না। কলকাতায় ফিরতে চাইলাম কিন্তু ভারত সরকার আমাকে ভিসা দেয়নি ছয় বছর। ছয় বছর পর ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে ভিসা দেওয়া হলো। আমি সঙ্গে সঙ্গে চলে এলাম কলকাতায়। কিছুদিন থাকলাম। তারপর ভিসা শেষ হয়ে গেল। চলে যেতে বাধ্য হলাম। আবার ফিরে ফিরে আসতাম। প্রতি বছর আসতাম। আমি চাইতাম আমি একটা বাংলাভাষি পরিবেশে থাকি। যেখানে মানুষগুলো বাংলাভাষায় কথা বলছে, আমিও বাংলাভাষায় তাদের সঙ্গে কথা বলব। কারণ আমি বাংলাভাষায় লিখি। যদি বাংলাভাষা থেকে দূরে থাকি, বাইরে থাকি- আমার পক্ষে আর হয়তো বাংলাভাষায় লেখা সম্ভব হবে না। এটা আমি বিদেশে বসেই অনুভাব করছিলাম। ইংরেজিতে কথা বলতে হতো, অনেক সময় বাংলায় লিখতে গেলে কোনো শব্দ হয়তো খুঁজে পেতাম না, হাতড়াতে হতো। এই জন্যে বিদেশে সমস্ত কিছু ছেড়ে ২০০৪ থেকে যখন আমাকে রেসিডেন্ট পারমিট দেওয়া হলো আমি কলকাতায় বাস করতে শুরু করলাম। কেউ কি প্যারিস ছেড়ে কলকাতায় থাকে? আমি থাকলাম আমার ভাষার জন্য, আমার লেখা জন্য। বাংলার মানুষ তা বুঝলেও সরকার তো বোঝেনি। আমাকে যদি তাদের রাজনৈতিক ফুটবল বানানো যায়, আমাকে লাথি দিয়ে তাড়িয়ে দিলে যদি তাদের দুটো ভোট জোটে- তাই হলো। এতে আমার সর্বনাশ হলো কি না, আমি ভালো বই লিখতে পারলাম কি না সে কথা কে বুঝলো? তাড়িয়ে দিল।প্রশ্ন : আপনাকে তাড়ানোরও কুড়ি বছর হয়ে গেল। কুড়ি বছরে উঠা-পড়াও নিশ্চয় ছিল? কোনটি উঠা, কোনটি পড়া বলে মনে হয়? তসলিমা : দেখুন, বিদেশি বিভুঁইয়ে ভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্ন ভাষার মধ্যে থাকলে এক সময় হতাশ হয়ে পড়ে মানুষ। আমি যদি কোনো মানুষকে খুন করতাম, বা আমি যদি সত্যি একজন ক্রিমিনাল হতাম, তখন দেশ থেকে তাড়িয়ে দিলেও আমার একটা শান্ত্বনা থাকতো। কিন্তু মানুষের ভালোর জন্য লিখলাম, মানবতার জন্য লিখলাম, মেয়েদের সমান-অধিকারের কথা লিখলাম, ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে লিখলাম, এটা এতোই অন্যায় হয়ে গেল যেজন্য আমাকে তাড়াতে হবে? এই কুড়ি বছরে অনেক পুরস্কার পেয়েছি, যেগুলো আমি কল্পনাও করিনি। মুক্তচিন্তার জন্য ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট থেকে শাখারোপ পুরস্কার, সিমানদা বুফার পুরস্কার পেয়েছি ফরাসি সরকারের কাছ থেকে। কিন্তু এগুলোর চেয়েও বড় আমার কাছে যখন মানুষ এসে চোখের জল ফেলে। বলে তুমি আমাদের প্রেরণা, ওইটা আমাকে অনেক বেশি স্পর্শ করে। প্রশ্ন : পেছন ফিরে তাকিয়ে কখনো কি এমন মনে হয়েছে- আমি যদি অন্যভাবে লিখতাম, আমার লেখায় যদি ঝাঁজ একটু কম হতো, তাহলে তো আমি বাংলাদেশে থাকতে পারতাম। আর পাঁচটা লোকের মতো নিজের দেশে নিজের ভাষার মধ্যে থাকতে পারতাম। এতোটা বাড়াবাড়ি করা হয়তো উচিত হয়নি। বা না করলেও হতো? তসমিলা : না, এ রকম ভাবনা আসে না। আমার আগেও যারা মিন মিন করে নারীবাদের কথা বলতো, ওদের কথা কেউ শুনতো না। সমাজটাকে ধাক্কা দিতো না। কিন্তু ধাক্কা দেওয়ার দরকার ছিল। ধাক্কার ফল আমার জীবন দিয়ে সইলাম। কিন্তু মানুষ তো কিছুটা ভেবেছে এবং এই প্রসঙ্গ নিয়ে তো আলোচনা হয়েছে। এখন প্রচুর মেয়েরা লিখছে, বা ছেলেরা লিখছে। কিন্তু আমি সেই তেইশ বছর আগে যা লিখেছিলাম, সেই নির্বাচিত কলাম, সেই গুলোই লিখছে এখন। তখন যে রাগ ছিল আমার, যেভাবে আমি বলতে চেয়েছি- সেভাবেই বলেছি। আর মানুষের রাগ থাকা উচিত। রাগের প্রয়োজন আছে। প্রশ্ন : এতো রাগ নিয়ে মনে করেন আবার বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন?
তসলিমা : আমার মনে হয় না আমাকে কেউ বাংলাদেশে ফিরতে দেবে। যদি দেয় সেতো খুব ভালো। কিন্ত বাংলাদেশে যতদিন এই ধর্মান্ধ লোকগুলো আস্ফালন করবে, বা ধর্মান্ধ লোকগুলো যতদিন আছে ততদিন সম্ভব হয়তো না। আমি কিছুরই জন্য অনুতাপ করি না। যা আমি লিখেছি, আমি তাই লিখবো। এখন আমার যদি নতুন করে জন্ম হয়, তথন যদি কেউ বলে তখন তুমি কি একটু অন্যভাবে লিখবে? না, আমি ঠিক এভাবেই লিখবো, যেভাবে লিখেছি। আমাকে ভুগতে হয়েছে। তবে পজেটিভ জিনিসটি হচ্ছে আমি অনেক দেশে, অনেক কিছু দেখেছি। অনেক লেখক আমাকে কাছে টেনে নিয়েছেন, আমি আরো বড় করে পৃথিবীটাকে দেখতে পাচ্ছি। হয়তো বাংলাদেশে থাকলে যে চোখটা আমার হয়েছে, মনটা আমার হয়েছে, এতোটা হতো না।প্রশ্ন : ভারতে একটি নতুন সরকার এসেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে তারা সম্পর্কে উন্নয়নে আগ্রহী এমনটাই বলা হচ্ছে। নতুন সরকার যদি বাংলাদেশে সঙ্গে আপনার ইস্যুটা উত্থাপন করে তাহলে একটা ব্রেকথ্রু হতে পারে?তসলিমা : আমি সত্যিই চাই যে ভারত সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলুক। কারণ আমি ভারতে আছি, বলছি যে আমি বাংলাদেশে ফিরতে চাই। ভারত সরকার যদি বলে আমি খুবই কৃতজ্ঞ থাকবো। আমি কংগ্রেস সরকারকে বলেছিলাম- আপনারা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কথা বলুন। কারণ আপনার মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মূল্য দিয়ে আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন। সেখানে বাংলাদেশ এতকিছুর ওপর নির্ভর করছে আপনাদের ওপর, সেখানে আপনারা তো একই শর্তটা দিতে পারেন যে- তোমারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে মূল্য দেও, আমরা যেমনটা দিচ্ছি।
প্রশ্ন : কিন্ত সদ্য ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঘুরে এলেন বাংলাদেশ। ভিসা থেকে শুরু করে মৈত্রী এক্সপ্রেস, তিস্তা, স্থলসীমান্ত চুক্তি অনেক বিষয়ে আলোচনা হলো। তসলিমা নাসরিন সেই আলোচনায় এসেছে- তেমনটি শোনা যায়নি।
তসলিমা : না না, তসলিমা তো আর আসবে না। তসলিমা ছোট ব্যাপার এখানে। তিস্তা, রাজনৈতিক সম্পর্কের বিষয় যেখানে সেখানে তো তসলিমা আসতে পারে না। আমি খুবই ছোট মানুষ। আমি বলেছি যে আমি খুব কৃতজ্ঞ থাকব যদি তারা বলে। এইটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপারের চেয়ে গণতন্ত্রের ব্যাপার। গণতন্ত্রের প্রধান যে পিলার, সেই বাক স্বাধীনতা বা মতপ্রকাশের অধিকারের ব্যাপার প্রশ্ন : কোনো অংকই যদি না মেলে, আমি বলতে চাইছি তসলিমা নাসরিনকে যদি আরো কুড়িটা বছর নির্বাসনেই কাটাত হয়, তসলিমা নাসরিন কীভাবে কাটাবেন সেটা কি কিছু ভেবেছেন?তসলিমা : আমি তো আগে থেকে প্লান করে কিছু চলি না। আমি চলমান লোক, আমি যখন যা ইচ্ছে হয় তখন তাই করি। করতে চেষ্টা করি। সব সময়তো আর সম্ভব হয় না। যেমন ধরুন আমার এখন কলকাতায় যেতে ইচ্ছে করছে, আমি কি যেতে পারব? আমাকে যেতে দেওয়া হবে না। কুড়িটা বছর কীভাবে যাবে তা তো আমি আগে থেকে প্লান করে রাখি না। দুইদিন পর আমি হয়তো মরে যাব। তবে যেখানেই থাকি, আমি লিখে যাব এইটুকু জানি। যতদিন বাঁচি, যতদিন আমার মাথা কাজ করবে, ততদিন আমি যে কথাগুলো বলেছিলাম সে কথাগুলো বলব এবং আরো যদি নতুন আইডিয়া আসে সেই সব প্রকাশ করব।