আগামী মাসে আড়াই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আগামী মাসে আড়াই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: আগামী মাসে চারটি ক্যাটাগরিতে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষমন্ত্রী দীপু মনি।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষা বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এমপিভুক্তির দাবিতে অনেক দিন ধরে শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করেছেন। তাদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আমরা অনেক আগেই এমপিওভুক্তির কাজ শুরু করেছি। এমপিওভুক্তির জন্য ইতোমধ্য চারটি ক্যাটাগরিতে প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে যে সকল তথ্য দেয়া হয়েছে আমরা তা যাচাই-বাছাই করব। তাদের দেয়া তথ্য ঠিক থাকলে আগামী মাসে আড়াই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেয়া হবে। নতুবা যোগ্য একটি প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে অপরটি পেলে এ নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হবে। এ কারণে সকল যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে একই সঙ্গে এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে জানিয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘এ কারণটা যদি আর্থিক হয় তবে প্রথম পর্যায়ে নতুন এমপিওভুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২৫ শতাংশ এমপিও সুবিধা দেয়া হতে পারে। যদি তা না হয়, তবে শতভাগ এমপিও সুবিধা প্রদান করা হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সম্প্রতি ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা বেশ কয়েকদিন রাস্তায় বসে আন্দোলন করেন। এরপর আমি তাদের নেতাদের সঙ্গে বসে তাদের সমস্যা জেনেছি। তারা অনেক কম বেতন পান-বিষয়টি অনেক মানবেতর।’

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অনেক আনাচে-কানাচে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানেও অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী রয়েছে। এটি বন্ধ করতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আদলে স্বতন্ত্র মাদরাসাকে আনা যায় কিনা তা বিবেচনা করা হবে। সরকার চাইলে নতুন প্রতিষ্ঠান হবে, তবে ব্যক্তির অধীনে এমন যত্রতন্ত্র যাতে আর কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে না ওঠে তা নিয়ে কাজ করা হবে। পাশাপাশি স্বতন্ত্র মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের কোন পদ্ধতিতে তাদের অধিকার নিশ্চিত করা যায়-তা নিয়ে আমরা দ্রুত একটি সিদ্ধান্ত নেব।’

পুলিশ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চবি, আহত ৭

পুলিশ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চবি, আহত ৭

চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরো ক্যাম্পাস রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্যসহ ৭ জন আহত হয়েছেন।

রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে অরোধের ডাক দেয়া ছাত্রলীগের একাংশ। এরপর সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তালা খুলতে গেলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জলকামান ও বেশ কয়েকটি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এসময় ডিবি পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষে পুলিশের কনস্টেবল ফরিদ, ছাত্রলীগ কর্মী আইন বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের সাদি মুর্শেদ, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের মোখলেছ, নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের একই সেশনের রমজান আহত হয়েছেন। এছাড়া আরও একজন ছাত্রলীগ কর্মী ও দুইজন পথচারীও আহত হন। তবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. আবু তৈয়ব বলেন, সংঘর্ষে আহত সাতজন চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ধর্মঘটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে শাটল ট্রেন চলাচল করতে পারে নি। এছাড়া শিক্ষকদের বাসও আসেনি। চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে শাটল ট্রেনের কয়েকটি বগির হোস পাইপ কেটে দেয় ছাত্রলীগের একাংশের কর্মীরা। এদিকে অবরোধের কারণে শিক্ষার্থী না আসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকটি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।

এর আগে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন ও মামলা প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক সংগঠন চুজ ফ্রেন্ড উইথ কেয়ার (সিএফসি) ও বিজয় গ্রুপের কর্মী। আন্দোলনের একপর্যায়ে পুলিশের সাথে কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে ছাত্রলীগের কর্মীরা। এসময় পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করলে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় ছাত্রলীগ কর্মীরা। পুলিশ জিরো পয়েন্টে এবং ছাত্রলীগ কর্মীরা কাটা পাহাড়ের রাস্তায় ও শাহ জালাল হলের সামনে অবস্থান নিয়ে পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে৷

এ বিষয়ে হাটহাজারী থানার ওসি বেলাল উদ্দিন বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কাল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

কাল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল ১ এপ্রিল (সোমবার) থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ ল‍াখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন। মোট কেন্দ্র সংখ্যা ২ হাজার ৫৮০টি।

সূচি অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে ১১ মে হবে তত্ত্বীয় পরীক্ষা। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সকালের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা ও বিকেলের পরীক্ষা ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এবং নকলমুক্ত পরিবেশে এবং প্রশ্নফাঁস রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেশ কিছু কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বিজি প্রেসে প্রশ্নপত্রের প্যাকেটে গতানুগতিক কাগজের খামের পরিবর্তে অধিকতর নিরাপত্তা বিশিষ্ট অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল খাম ব্যবহার করা হয়েছে।

পরীক্ষা শুরু হওয়ার ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নের সেট কোড ঘোষণা করা হবে। সে অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট/দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে তার, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষরে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট বিধি মোতাবেক খুলতে হবে।

একইসাথে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে সব পরীক্ষার্থীকে আবশ্যিকভাবে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে আসন গ্রহণ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থী এরপর পরীক্ষা কেন্দ্রে আসলে রেজিস্ট্রারে নাম, ক্রমিক নং ও দেরিতে আসার কারণ উল্লেখ করতে হবে। দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্র সচিব সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হবে।

কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ ফিচারফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইন-শৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নজরদারি জোরদার করবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারীদের মোবাইল, মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যবহারের অনুমতিবিহীন যে কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে; নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৩ মে

৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৩ মে

নিউজ ডেস্ক: ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ৩ মে অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক।

তিনি বলেন, আজ বৃহস্পতিবার কমিশনের এক বিশেষ সভায় এ সিদ্দান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, ৩ মে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টায় শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে বেলা ১২টা পর্যন্ত। পরীক্ষার হল এবং আসন বিন্যাসসহ পরীক্ষা-সংক্রান্ত নির্দেশনা পরে জানানো হবে।

গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এ বিসিএসে আবেদন করেছেন ৪ লাখ ১২ হাজার ৫৩২ জন প্রার্থী। এ পর্যন্ত পিএসসিতে এত বিপুল পরীক্ষার্থী আবেদনের রেকর্ড তৈরি হয়েছে।

এ বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৯০৩ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ক্যাডার অনুসারে প্রশাসনে ২০০, পুলিশে ৭২, পররাষ্ট্রে ২৫, করে ২৪, শুল্ক আবগারিতে ৩২ ও শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ৮০০ জন নিয়োগ দেয়ার কথা রয়েছে।

এইচএসসি পরীক্ষা, ১ এপ্রিল থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ

এইচএসসি পরীক্ষা, ১ এপ্রিল থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ

নিউজ ডেস্ক: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত সকল কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। যেহেতু আমরা বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না, তাই সব ধরনের কোচিং বন্ধ থাকবে।

সোমবার সচিবালয়ে আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে বিভিন্ন ধরনের কোচিং আছে। যেহেতু একই জায়গায় বিভিন্ন কোচিং থাকে। অনেকে অসাধু উপায়ে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কোচিং করিয়ে থাকে। সেটি ইতিমধ্যে প্রতীয়মান হয়েছে। আমরা সব কোচিং বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, এ বছর ৮টি সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। তার মধ্যে সাধারণ ৮টি বোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। সারাদেশে মোট ৯ হাজার ৮১টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে, মোট ২ হাজার ৫৮০ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতিত অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ ফিচার ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অননুমোদিত ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, ট্রেজারি/থানা হতে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-শিক্ষক-কর্মচারীরা কোনো ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না এবং প্রশ্নপত্র বহন কাজে কালো কাঁচযুক্ত মাইক্রোবাস বা এরূপ কোনো যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ২৫ মিনিট পূর্বে প্রশ্নের সেট কোড ঘোষণা করা হবে। সে অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট/দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষরে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট বিধি মোতাবেক খুলতে হবে।

দীপু মনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহ নজরদারি জোরদার করবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের নিকট উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারীদের মোবাইল, মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যবহারের অনুমতিবিহীন যেকোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফের পেছাল প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

ফের পেছাল প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা সপ্তাহের জন্য আবারও পিছিয়ে গেলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা।

আগামী ১৩ মার্চ ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯’ পালন করার সিদ্ধান্ত হওয়ায় ১৫ মার্চ নিয়োগ পরীক্ষা পেছানো হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)।

শনিবার ডিপিইর মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, ‘আগামী ১৫ মার্চ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা নেয়ার কথা থাকলেও ১৩ মার্চ জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ পালন করার সিদ্ধান্ত হওয়ায় তা আবারও পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও প্রধানমন্ত্রী এদিন সময় দিতে না পারায় তা পিছিয়ে দেয়া হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়ায় আগামী ১৩ মার্চ তা পালনের প্রস্তুতি চলছে। এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধন করবেন।’

কবে শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপাতত শিক্ষা সপ্তাহ আয়োজন নিয়ে সবাই ব্যস্ত রয়েছে। এ অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রণালয়ের সভা করে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সময় পুনরায় নির্ধারণ করা হবে। তবে মার্চের শেষে অথবা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হতে পারে।’

জানা গেছে, আগামী ১৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উদ্বোধন করা হবে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ। ‘প্রাথমিক শিক্ষার দীপ্তি উন্নত জীবনের ভিত্তি’এ স্লোগানে এবার পালিত হবে শিক্ষা সপ্তাহ। এদিন প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থেকে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের অধিনস্থ দফতর-সংস্থার কর্মকর্তা, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রমুখ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আগামী ১৫ মার্চ থেকে শুরুর সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ১৫ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়।

জানা গেছে, এবার পরীক্ষা পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রথমে এমসিকিউ পদ্ধতির লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হবে ভাইবা। নির্ধারিত জেলায় পরীক্ষা আয়োজনের আগের রাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রশ্নপত্রের সব সেট পাঠানো হবে। পরীক্ষার দিন সকাল ৮টায় প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হবে। এছাড়া পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষার শেষ করা হবে।

এবার প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ২৪ লাখের বেশি চাকরিপ্রত্যাশী আবেদন করেছেন। সারা দেশে ১২ হাজার আসনের বিপরীতে তারা এ ভর্তিযুদ্ধে বসবেন।

মহাপরিচালক জানান, ‘স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত ও প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নিয়োগ পরীক্ষায় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। পরীক্ষার দিন প্রতিটি কেন্দ্রের বাইরে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। যদি কেউ কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে লিপ্ত হয় তাহলে পরীক্ষা কেন্দ্রে তাকে বহিষ্কার করে সেই প্রার্থীর খাতা বাতিল করা হবে। পরীক্ষা পদ্ধতি ডিজিটালাইজড করতে আমরা বুয়েটের সহায়তায় একটি আধুনিক সফটওয়্যার তৈরি করেছি। সেই সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীর সিট বিন্যাস, পরিদর্শক নির্বাচনসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’

চবিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৬, আটক ৪

চবিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৬, আটক ৪

চট্টগ্রাম অফিস: পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ফের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ জন আহত হয়েছে। এসময় আটক করা হয়েছে ৪ জনকে।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে জড়ানো দুই গ্রুপ হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের বগিভিত্তিক সংগঠন ‘সিএফসি’ ও ‘বিজয়’। এসময় পুলিশ ৫টি রামদা উদ্ধার করেছে। সংঘর্ষের সময় সোহরাওয়ার্দী হলের প্রায় ২০টি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়েছে।

আহতরা হলেন- ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. আব্দুস সাত্তার, ইতিহাস বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ওসমান, ইংরেজী বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ফয়সাল, সমাজতত্ব বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের মেহেদী হাসান, বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ইমরান হাসান ও ইংরেজি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের রহমত উল্লাহ।

হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলাল উদ্দিন বলেন, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় কয়েকজন আহত হয়েছে। সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সোহরাওয়ার্দী হলের পাশের একটি দোকানে সিএফসি ও বিজয় গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হলে সিএফসি নেতা সোয়েবুর রহমান কনক বিজয় গ্রুপের কর্মী কাকনকে মারধর করেন। পরবর্তীতে সিনিয়রদের হস্তক্ষেপে বিষয়টি মীমাংসা হলেও রাত সাড়ে দশটার দিকে কনক ও আখলাছ সোহরাওয়ার্দী হলের মোড়ে আসলে বিজয়ের কর্মীরা তাদের মারধর করে আখলাছের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে বেতন দেয়ার নির্দেশ

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে বেতন দেয়ার নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডসহ গেজেটেড পদমর্যাদা দেয়ার নির্দেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশিক রুবাইয়াত।

আইনজীবী সালাউদ্দিন দোলন বলেন, ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করেন এবং একই দিনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে। কিন্তু মন্ত্রণালয় প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল নির্ধারণ করে প্রবেশ পদে ১১তম গ্রেড (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ও ১২তম গ্রেড (প্রশিক্ষণবিহীন)। অথচ নন-ক্যাডার দ্বিতীয় শ্রেণির পদে অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তারা জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ গ্রেডে বেতন পান। ফলে সরকারি প্রধান শিক্ষকদের মর্যাদা দিলেও তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল।

পরে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজসহ ৪৫ জন প্রধান শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৫ মার্চ আদালত রুল জারি করেন।

সোমবার সে রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেন।

আগামীকালের এসএসসি পরীক্ষা ২ মার্চ

আগামীকালের এসএসসি পরীক্ষা ২ মার্চ

নিউজ ডেস্ক: দেশের সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডের আগামীকালে এসএসসি’র ক্যারিয়ার শিক্ষা পরীক্ষা ২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
ঐদিন দুপুর ২টায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার আট শিক্ষা বোর্ড থেকে আলাদাভাবে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। অনিবার্য কারণবশত এ পরীক্ষা পেছানোর কথা জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

এদিকে মুদ্রণ ত্রুটির কারণে যশোর শিক্ষা বোর্ডের আজ মঙ্গলবারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এ পরীক্ষাটি কবে হবে তা পরে জানাবে শিক্ষা বোর্ড।

জানা গেছে, যশোর বোর্ডে দুইশ’র মতো অনিয়মিত ক্যারিয়ার শিক্ষার পরীক্ষার্থী রয়েছে। এ বোর্ডের মঙ্গলবারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজারের মতো পরীক্ষার্থীর।

এ বিষয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল আলিম জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার প্রথম পাতায় ১২টি প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট বিষয়ের আর শেষ পাতায় ১৩টি প্রশ্ন ক্যারিয়ার শিক্ষাবিষয়ের ছাপানো হয়। বিষয়টিকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করেন তিনি।

শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে চবির ৬ ছাত্রকে বহিষ্কার

শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে চবির ৬ ছাত্রকে বহিষ্কার

চট্টগ্রাম অফিস: শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ছয় ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নিয়াজ মোরশেদ রিপন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বোর্ড অব রেসিডেন্স, হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিন কমিটির রিপোর্টের সুপারিশক্রমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর নির্বাহী আদেশে ছয় ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা হলেন- পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের সাইফ সিয়াম, অর্থনীতি বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের জয়সান বড়ুয়া, লোক প্রশাসন বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের আব্দুল মুকিব, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০১৩- ১৪ সেশনের মহিউদ্দিন জালাল, ইংরেজি বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের মো. গামি ও রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী শামীম আওসান।

এর আগে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাওল হল থেকে গাঁজা সেবনের সময় তাদের আটক করে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা। পরে তাদের হাটহাজারী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।