এক মাসের মধ্যে শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

এক মাসের মধ্যে শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: আগামী এক মাসের মধ্যে পোশাক শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

টিপু মুনশি বলেন, নতুন বেতন কাঠামোর কারণে কোনো শ্রমিকের যদি বেতন কমে যায় তা হলে তা আগামী মাসের বেতনের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিশোধ করা হবে। একইসাথে তিনি পোশাককর্মীদের কাজে মনোযোগ দেয়ার আহ্বান।

তিনি বলেন, নতুন বেতন কাঠামোর অসঙ্গতি দূর করতে শ্রমিক পক্ষের পাঁচজন, মালিকপক্ষের পাঁচজনসহ শ্রম ও বাণিজ্য সচিবের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি কাজ করবে। এ কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতনের বিষয়ে আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে টিপু মুনশি বলেন, এ ধরনের আন্দোলনে অনেক সময় বাইরের লোক ঢুকে যায়। সে বিষয়টি সরকার কঠোরভাবে মনিটর করছে।

প্রসঙ্গত, সরকারি মজুরি কাঠামো বৃদ্ধি ও বাস্তবায়নের দাবিতে ৬ জানুয়ারি থেকে আন্দোলন করছেন পোশাক শ্রমিকরা।

৪ কোটি মানুষের কর দেওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী

৪ কোটি মানুষের কর দেওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে অন্তত ৪ কোটি মানুষের কর দেওয়া উচিত বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

মঙ্গলবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে আয়কর মেলা-২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

‘উন্নয়ন ও উত্তরণ, আয়করের অর্জন’ স্লোগানে সারা দেশে উৎসব মুখর পরিবেশে শুরু হওয়া এবারের মেলার প্রতিপাদ্য ‘আয়কর প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে সামাজিক ন্যায় বিচার ও ধারাবাহিক উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ’।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আগে আমরা কর আদায় করতাম ৭ লাখ। তখন ১৫ লাখ করদাতার বেশি ছিল না। এখন করদাতার সংখ্যা ৩০ লাখের চেয়ে বেশি হয়ে গেছে। বিভিন্নভাবে এখন ১ কোটি মানুষ কর দেয়। অনেক ধরনের কর আছে, সেগুলোকে ধরলে ১ কোটি মানুষ আজকে কর দেয়। ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ১ কোটি করাদাতা।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের উন্নয়ন যেভাবে ধাবিত হচ্ছে ১ কোটি করাদাতা নিয়ে আমরা এখন সন্তুষ্ট নই। আমরা চাই, এই এক কোটির সঙ্গে আরো কয়েক কোটি এখানে যুক্ত হোক। এটি অন্তত ৪ কোটি হওয়া উচিত। তাহলে আমাদের যে সুবিধাটা হবে সরকার যে বিভিন্ন ধরণের সেবা আপনাদের কাছে উপস্থাপন করে তা নানাভাবে ব্যাপ্তি হবে।’

মুহিত বলেন, ‘এক সময় ছিল যখন কর দিতে আমাদের খুব অনীহা ছিল। সবাই মনে করতো আজ কর দিলাম, সারা জীবন একটি ফাঁদে পড়ে গেলাম। তবে এখন আর সে অবস্থা নেই। এখন অসংখ্য যুবক এসে লাইন ধরে কর দেয়। এটা আমাদের জাতির জন্য উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলতে হবে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘লক্ষ্য পূরণে আমাদের সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্ব দিচ্ছে। এই নেতৃত্বটা একান্তাভাবে জনকল্যাণে নিবেদিত। জনকল্যাণে নিবেদিত নেতৃত্ব আছে বলেই আমরা দ্রুত গতিতে এগিয়ে যেতে পারছি। এই যে দ্রুত গতিতে আমাদের বিকাশ হচ্ছে, সেই বিকাশটা যাতে আরো সুন্দর হতে পারে, আরো উজ্জ্বল হতে পারে, সেটাই আমার আশা।’

আয়কর মেলা উৎসব পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে মুহিত বলেন, ‘যারা এখানে কর দিতে এসেছে তাদের বিশেষভাবে অভিনন্দন। আপনারা মেলাটাকে স্বার্থক করে তুলেছেন। মেলাটা সত্যিকার অর্থেই মেলাতে পরিণত হয়েছে।’

এনআরবি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আয়কর মেলায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, মেলার সমন্বয়ক জিয়া উদ্দিন মাহমুদসহ এনবিআর’র কর্মকর্তারা।

এক বছরে ৩৩ শতাংশ আয় বেড়েছে স্থলবন্দরের

নিউজ ডেস্ক  ::      এক বছরে ৩৩ শতাংশ আয় বেড়েছে স্থলবন্দরের এক বছরে স্থলবন্দরগুলোর আয় বেড়েছে ৩৩ শতাংশ। আমদানি-রফতানি কার্যক্রমের মাধ্যমে বিদায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশের স্থলবন্দরগুলো ১৪৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আয় করেছে। এর আগের ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আয়ের পরিমাণ ছিল ১১১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

দেশে বর্তমানে ২৩টি স্থলবন্দর আছে। এর মধ্যে ১২টি স্থলবন্দর কার্যকর আছে। বাকিগুলো এখনো শুল্ক স্টেশনের মতো চলে। স্থলবন্দর দিয়ে মূলত স্থলপথে আমদানি-রফতানি হয়। প্রায় ৯৮ ভাগ পণ্যই আমদানি-রফতানি হয় ভারতের সঙ্গে। মিয়ানমারের সঙ্গে হয় ২ শতাংশের মতো। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিগত অর্থবছরে স্থলবন্দর থেকে যত আয় হয়েছে, এর ৮৪ শতাংশই এসেছে তিনটি স্থলবন্দর থেকে।

স্থলবন্দরগুলো হলো বেনাপোল, বুড়িমারী ও ভোমরা। বরাবরের মতো গত অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি মাশুল আদায় হয়েছে বেনাপোল স্থলবন্দরে। এই স্থলবন্দরের আয় ৪৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা। বুড়িমারী ৪৬ কোটি ২৪ লাখ ও ভোমরা ২১ কোটি টাকা আয় করেছে।

অন্যান্য স্থলবন্দরের মধ্যে সোনা মসজিদ স্থলবন্দর ৩ কোটি ৮২ লাখ, তামাবিল ৬ কোটি ৪৬ লাখ, হিলি ৬ কোটি ৭ লাখ, টেকনাফ ৪ কোটি ৭৪ লাখ, বাংলাবান্ধা ৪৭ লাখ, আখাউড়া ৫ লাখ, নাঁকুগাও ১১ লাখ ও বিবিরবাজার ১ লাখ টাকা আয় করেছে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তপন কুমার চক্রবর্তী বলেন, গত কয়েক বছরে স্থলবন্দরগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন হওয়ায় এর সক্ষমতা বেড়েছে।

এর পাশাপাশি বিগত অর্থবছরে তামাবিল ও সোনাহাট এই দুটি স্থলবন্দর চালু হয়েছে। এতে কাঙ্খিত সেবা নিশ্চিত হওয়ায় দ্রুত পণ্য খালাস হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী হওয়ায় ভারতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যও বেড়েছে। মূলত এসব কারণে স্থলবন্দরগুলোর আয় বাড়ছে।

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্থলবন্দর থেকে ১৬৫ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে তিনি জানান। স্থলবন্দরের আয়ের প্রধান উৎসগুলো হলো খালাস হওয়ার অপেক্ষায় থাকা পণ্যের জন্য শেড ও ইয়ার্ড ভাড়া, ওজন মাপার মাশুল, প্রবেশ মাশুল, শ্রমিক মজুরি, দলিলাদি প্রক্রিয়াকরণ মাশুল ইত্যাদি।

চট্টগ্রামনিউজ/এসএ

জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক

জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক

নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শেষে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসে বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশকালে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রফতানি ও রেমিটেন্সের ইতিবাচক ধারায় বছর শেষে এই ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে। তবে এজন্য আর্থিক খাতে বেশ কিছু সংস্কার করতে হবে। তাহলে গত কয়েক বছরের ন্যয় আগামীতেও ভালো প্রবৃদ্ধির এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। অপরদিকে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী (২০১৭-১৮) অর্থবছরে দেশে জিডিপির রেকর্ড প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফ্যান বলেন, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.১, ৭.২, ৭.৬ এগুলো নিয়ে বিতর্ক নয়, এগুলো ইউজলেস। আমাদের দেখতে হবে, জিডিপির এই গ্রোথটা কোথায় ইমপ্যাক্ট করে। বেকারত্ব দূর হচ্ছে কি না, দারিদ্র্য দূর হচ্ছে কি না, টেকসই উন্নতি হচ্ছে কি না, জিডিপির প্রবৃদ্ধি বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে কি না।

তিনি বলেন, দেশের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। এটা কমিয়ে আনতে হবে। খেলাপি ঋণ বাড়লে টেকসই উন্নয়ন হবে না।

চিমিয়াও ফ্যান বলেন, বাংলাদেশ দ্রুত উন্নয়ন করছে। উন্নয়ন ধরে রাখতে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি যেন কমে না যায়, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনে ব্যবসার পরিবেশ যেন খারাপ না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অনিশ্চিত পরিবেশে কেউ ব্যবসায় আসবে না। বিনিয়োগ পরিবেশ যেন থাকে, সেটা নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

খেলাপি ঋণের বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের রিপোর্টে বলা হয়েছে, এ ঋণ পুনঃতফসিলের কারণে ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি বেড়ে যাবে। এতে চাপ বাড়বে বাজেটে। এজন্য আর্থিক খাতে সংস্কার আনতে হবে। খেলাপি ঋণের দিকে নজর দিতে হবে। এই মুহুর্তে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৪ শতাংশে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফ্যান, বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর, পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান প্রমুখ।

স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিতে ১১১৬ টাকা

স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিতে ১১১৬ টাকা

নিউজ ডেস্ক: দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ এক হাজার ১৬৬ টাকা পর্যন্ত কমিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমার কারণে দেশের বাজারে তা সমন্বয় করতে এ দাম কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আগামীকাল শুক্রবার থেকে স্বর্ণের এ নতুন দর কার্যকর হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরিতে কমেছে এক হাজার ১৬৬ টাকা। তবে অপরিবর্তী রয়েছে সনাতন পদ্ধতির দাম।

বাজুস জানায়, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৪৮ হাজার ৬৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ও ১৮ ক্যারেটের দামও এক হাজার ১৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। এর মধ্যে ২১ ক্যারেট ৪৬ হাজার ৩৬৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪১ হাজার ২৯০ টাকা। আর প্রতি ভরি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ হাজার ৫৮৫ টাকা। প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট রুপার (ক্যাডমিয়াম) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫০ টাকা।

সারা দেশের স্বর্ণের দোকানগুলোতে বৃহস্পতিবার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ৪৯ হাজার ৮০৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ৪২ হাজার ৪৫৬ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি বিক্রি হয়েছে ২৭ হাজার ৫৮৫ টাকা।

ব্রেক্সিটের পর বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য আরো বাড়বে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্রেক্সিটের পর বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য আরো বাড়বে: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ব্রিটেনের প্রায় দুই শতাধিক কোম্পানি বাংলাদেশে কাজ করছে। বিনিয়োগের পরিমাণও অনেক। বর্তমানে উভয় দেশের বাণিজ্য প্রায় চার বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ব্রিটেন বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। ব্রিটেন ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাবার পর (ব্রেক্সিটের পর) বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য আরো বাড়বে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হলে বৃটেন বাংলাদেশকে জিএসপি প্লাস সুবিধা প্রদান করবে বলে আশা করছি। এজন্য বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। ব্রিটেনও বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে আগ্রহী।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে ঢাকায় সফররত ব্রিটিশ স্টেট মিনিস্টার ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক অ্যাট দ্য ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েল্থ অফিস মার্ক ফিল্ড, এমপি-এর সঙ্গে বৈঠকে শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ব্রেক্সিটের পর ব্রিটেনের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের রোল মডেল আখ্যায়িত করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ বর্তমানে ৪২তম অর্থনীতির দেশ। ২০৩০ সালে বাংলাদেশ ২৮তম দেশে পরিণত হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ নিজ অর্থায়নে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক বিনিয়োগ না করতে চাইলে, বাংলাদেশ নিজ অর্থায়নেই পদ্মা সেতু নির্মাণ করছে। বাংলাদেশের বাজেট এখন আর বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভর নয়। নারীর ক্ষমতায়নে এ অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশ এগিয়ে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৭৩ জন নারী এমপি রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে নারীর উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। তৈরি পোশাক শিল্পে ৪৫ লাখ শ্রমিকের ৮০ ভাগ শ্রমিক নারী। নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ এখন অনেক এগিয়ে।

এ সময় বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু, বৃটেনের জেন্ডার সমতা বিষয়ে স্পেশাল রিপ্রেজেনটেটিভ ফরেনসেক্রেটারি জোয়ান্না রিপার, ঢাকার বৃটিশ ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার কানবার হুসেইন বরসহ মন্ত্রণালয়েল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন জিএসপি প্লাস সুবিধা দেবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক  ::   বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশকে জিএসপি প্লাস সুবিধা দেবে। এ জন্য যে সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়, তা যথাসময়ে সম্পন্ন করবে বাংলাদেশ।সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত রেনজি টেরিংকের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তোফায়েল আহমেদ।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চলতি মাসের ২৪ তারিখ ব্রাসেলসে সাসটেইনেবিলিটি কমপ্যাক্ট মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। মিটিংয়ে অফিসিয়াল এবং ব্যবসায়ীদের নিয়ে বাংলাদেশের ২১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করবে।

এ মিটিং বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্রেতাদের শর্ত মোতাবেক বাংলাদেশ ইতোমধ্যে শ্রম আইন এবং ইপিজেড শ্রমিক আইন একইভাবে সংশোধন করেছে। একটি কারখানার ৩০ ভাগ শ্রমিকের পরিবর্তে ২০ ভাগ শ্রমিক চাইলেই এখন শ্রমিক সংগঠন তৈরি করতে পারবে। শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, অপ্রত্যাশিত রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর বিগত পাঁচ বছরে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলো এখন বিগত যে কোনো সময়ের চেয়ে নিরাপদ ও কর্মবান্ধব। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর ত্রুটির পরিমাণ দুই শতাংশের কম, যেখানে দুই শতাংশের বেশি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য।

এটা বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন।তোফায়েল আহমেদ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের হিসাব মোতাবেক, গত বছর বিশ্বের যে ১০টি গ্রিন ফ্যাক্টরিকে সনদ দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানসহ সাতটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের। বাংলাদেশে প্রায় ২৮৯টি গ্রিন ফ্যাক্টরি তৈরি হচ্ছে।

এখন জেনেভায় ইন্টারন্যাশনাল লেবার কাউন্সিলের মিটিং চলছে। সেখানে বাংলাদেশের শ্রম আইন, শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা, কর্মপরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত এ সময় বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রশংসা করার মতো। শ্রমিকরা কর্মবান্ধব পরিবেশে কাজ করছে।

ক্রেতাগোষ্ঠী বাংলাদেশের কর্মপরিবেশের উন্নয়নে খুশি। বাংলাদেশ সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু, অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) তপনকান্তি ঘোষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামনিউজ/এসএ

শেয়ারবাজারে ধস

শেয়ারবাজারে ধস

নিউজ ডেস্ক: রোববার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্য সূচকের বড় ধরনের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। ২০১০ সলের মহাধসের পর দেশের শেয়ারবাজারে সম্প্রতি এত বড় পতন আর হয়নি।

এদিন ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১৩৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজারের ঘরে অবস্থান করছে। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ৪০৮ পয়েন্ট। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, রোববার ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ সামান্য বেড়েছে। এদিন ডিএসইতে ৩৬৪ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিন থেকে প্রায় ৩৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বেশি। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩২৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩৩৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৩টির, কমেছে ৩০২টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি কোম্পানির শেয়ার দর।

ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ১৩৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৮৮৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৩৭৭ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ৩৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ১৯১ পয়েন্টে।

অন্যদিকে আজ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ১৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪০৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৮ হাজার ২১৫ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২২১টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩টির, কমেছে ১৯৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টির শেয়ার দর।

পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন

পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন

নিউজ ডেস্ক: পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো তৈরির জন্য স্থায়ী জন্য মজুরি বোর্ড মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী ডিসেম্বরের আগেই নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার বিষয়ে আশাবাদী সরকার।

শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ‘তৈরি পোশাক শিল্প শ্রমিকদের জন্যে সরকার মজুরি বোর্ড ঘোষণা করেছে। এই বোর্ড বাজার মূল্য ও অন্যান্য জিনিসপত্রের দর যাচাই করে আগামী ৬ মাসের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন নির্ধারণ করে সুপারিশ করবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করে তা ঘোষণা করা হবে।’

রবিবার সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নু।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা আছে। একজন জেলা জজের নেতৃত্বে চারজন স্থায়ী সদস্য আছেন। আর দুইজনকে নতুন করেন যুক্ত করা হল।’

স্থায়ী নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন সিনিয়র জেলা জজ সৈয়দ আমিনুল ইসলাম। আর তিনজন সদস্য হলেন- মালিকপক্ষের প্রতিনিধি কাজী সাইফুদ্দীন আহমদ, শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি ফজলুল হক মন্টু, নিরপেক্ষ প্রতিনিধি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কামাল উদ্দিন ।

এদের বাইরে পোশাক শিল্প মালিকদের প্রতিনিধি হিসেবে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের নারী বিষয়ক সম্পাদিকা শামসুন্নাহার ভুঁইয়াকে শ্রমিকদের প্রতিনিধি করা হযেছে।

শ্রমিক প্রতিনিধি বাছাই করা সব সময় ঝামেলার উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, এবার সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলেই শামসুন্নাহারকে বাছাই করা হয়েছে। তিনি ২০১৩ সালে গঠন করা মজুরি বোর্ডেও ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্থায়ী মজুরি বোর্ড রয়েছে। তবে যখন যেই খাতের মজুরি বোর্ড গঠন করা হয় সেই খাতের দুইজন প্রতিনিধি যুক্ত করা হয়। একটি হচ্ছে মালিক পক্ষ থেকে আরেকটি হচ্ছে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে।’

এর দুই বছর আগে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হয়। আর ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে নতুন মজুরি কাঠামোয় প্রথম বেতন পেয়েছিলেন শ্রমিকরা। তখন চারটি গ্রেডে বাস্তবায়ন করা এই মজুরি কাঠামোয় সর্বনিম্ন বেতন ধরা হয় ৫৩০০ টাকা।

ওই মজুরি কাঠামোতে প্রতি বছর পাঁচ শতাংশ হারে বেতন বাড়ার পাশাপাশি পাঁচ বছর পর নতুন বেতন কাঠামো করার কথা বলা ছিল।

বাড়লো স্বর্ণের দাম

বাড়লো স্বর্ণের দাম

নিউজ ডেস্ক: ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম। প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ ১৪০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সোমবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে।

বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা জানান, স্বর্ণের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে সঙ্গে ওঠানামা করে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করতে দেশের বাজারেও দাম বাড়ানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস।

নতুন দাম অনুযায়ী, ভরি প্রতি সর্বনিম্ন ৮৭৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৪০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম।

বাজুস জানায়, বর্ধিত দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের দাম পড়বে ৪৯ হাজার ৩৩৮ টাকা। ২১ ক্যারেট ৪৭ হাজার ১২২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ৪১ হাজার ৮৭২ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি বেড়ে দাঁড়াবে ২৫ হাজার ৬৬০ টাকা। তবে প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট রুপার (ক্যাডমিয়াম) দাম এক হাজার ৫০ টাকা রয়েছে।

দেশের স্বর্ণের দোকানগুলোতে রোববার পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রয়েছে ৪৭ হাজার ৯৩৯ টাকা। ২১ ক্যারেট ৪৫ হাজার ৭২২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ৪০ হাজার ৪৭৪ টাকা।