পটিয়ায় আগুনে পুড়ে প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

পটিয়ায় আগুনে পুড়ে প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

চট্টগ্রাম অফিস: পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের লাখেরা গ্রামের বড়ুয়া পাড়ায় আগুন লেগে হিনু বড়ুয়া (২৮) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক মারা গেছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে্

নিহত হিনু বড়ুয়া মৃত প্রবীর বড়ুয়ার ছেলে। বাড়িটিতে হিনু বড়ুয়া একাই থাকতেন।

পটিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সৌমেন বড়ুয়া জানান, রাত পৌনে ১১টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। রাত পৌনে দুইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে চারজন মালিকের ঘর পুড়ে গেছে। নিজের অংশে হিনু বড়ুয়া একাই থাকতেন। তার মা নগরীতে মেয়ের সাথে থাকেন। আগুন নেভানোর পর সেখান থেকে তার লাশ পাওয়া যায়।

তবে আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি বলে জানান তিনি।

সীতাকুণ্ডে ইস্পাত কারখানায় শ্রমিক নিহত

সীতাকুণ্ডে ইস্পাত কারখানায় শ্রমিক নিহত

চট্টগ্রাম অফিস: সীতাকুণ্ড উপজেলার ছোট কুমিরা এলাকায় একটি জিপিএস ইস্পাত কারখানায় কাজ করার সময় রনভির বর্মন (২৭) নামে এক শ্রমিক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

বুধবার ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শ্রমিক রনভির বর্মন রংপুর জেলার পীরগঞ্জের কামার নয়া বাড়ির মোহন চন্দ্র বর্মের ছেলে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জহিরুল ইসলাম বলেন, কারখানায় কর্মরত অবস্থায় ট্রাকে ইস্পাত উঠার সময় লোহা চাপা পড়ে গুরুত্বর আহত হয় শ্রমিক রনভির বর্মন। এরপর তাকে ভোর ৫টার দিকে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

লামায় পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৪ আসামী গ্রেফতার

লামায় পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৪ আসামী গ্রেফতার

বেলাল আহমদ, লামা প্রতিনিধি: বান্দরবানের লামায় অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত ৪ পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রবিবার ভোর রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হল- মাহতাছি (৪০), মমতাজ বেগম (৪০), জিয়াবুল হক (২৮) ও মো. সরওয়ার ইসলাম।

লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু বলেন, আজ ভোরে এস আই আয়াত উল্লাহ, এ এস আই রাম প্রসাদ, এ এস আই সুজন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি টিম বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করেছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতদের আজ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩

টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩

চট্টগ্রাম অফিস: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মোচনী রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন হাবিবের ঘোনা পাহাড়ী এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৩ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে চারটি দেশীয় তৈরি অস্ত্র ও ৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হল- টেকনাফ মোছনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-ব্লকের আমির হোসেনের ছেলে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নুর আলম (২০), এইচ ব্লকের ইউনুচের ছেলে জুবায়ের (২০) ও ইমাম হোসেনের ছেলে হামিদ উল্লাহ (২০)।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় টেকনাফ থানার এসআই স্বপন, কনস্টেবল মেহেদী ও মং আহত হয়েছেন।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে মোছনী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকের হাবিবের ঘোনা পাহাড়ের নিচে অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাহাড়ের ভেতর থেকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর তাদেরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, নিহতদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা, অস্ত্রসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে।

ফেনসিডিলসহ মাদক বিক্রেতা আটক

ফেনসিডিলসহ মাদক বিক্রেতা আটক

চট্টগ্রাম অফিস: সীতাকুণ্ড উপজেলার মহাদেবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪’শ ৪২ বোতল ফেনসিডিলসহ মো. নজরুল ইসলাম (৫০) নামে এক মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় ফেনসিডিল পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে আটক করা হয়।

আটক নজরুল ইসলাম মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার উমেদপুর এলাকার গফুর মুন্সীর ছেলে।

র‌্যাব-৭ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাশকুর রহমান বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নজরুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। এসময় তার কাছ থেকে মোট ৪’শ ৪২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ফেনসিডিল কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসছিল সে।’

টেকনাফে গুলিতে রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত

টেকনাফে গুলিতে রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত

চট্টগ্রাম অফিস: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকে দুর্বৃত্তের গুলিতে মো. হাসিম ওরফে হাসিম ডাকাত (৪২) নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হাসিম নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকের ৬৮২ নাম্বার শেডের ২ নং রুমের ৪১৪১০/বি’র বাসিন্দা পীর মোহাম্মদের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোহিঙ্গা ডাকাত দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে অস্ত্রধারীরা ক্যাম্পের এইচ ব্লকে এসে হাসিম ডাকাতকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এ সময় গুলির শব্দ শুনে আশপাশের রোহিঙ্গারা ছুটে এসে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আব্দুস সালাম বলেন, ক্যাম্পের এইচ ব্লকে স্বশস্ত্র ডাকাত দলের গুলিতে এক রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত হয়েছেন। তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

লামায় লাকড়ির জীপ খাদে পড়ে শ্রমিক নিহত

লামায় লাকড়ির জীপ খাদে পড়ে শ্রমিক নিহত

বেলাল আহামদ, লামা প্রতিনিধি: বান্দরবানের লামার দুর্গম এলাকায় লাকড়িবাহী জীপ খাদে পড়ে আমির হামজা প্রকাশ সোহাগ (৩২) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে লামার গজালিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের কুলাইক্কা পাড়া এলাকার পুডারঝিরি আগা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আমির হামজা সোহাগ উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের মেউন্দা মুসলিম পাড়ার মুহাম্মদ উল্লাহর ছেলে।

জানা গেছে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা কুলাইক্কা পাড়া হতে জীপ গাড়িটি লাকড়ি আনার সময় পাহাড়ের খাদে পড়ে যায়। এসময় গাড়ির চাপায় পড়ে আমির হামজা সোহাগের মৃত্যু হয়। সারারাত লাশটি ঘটনাস্থলে পড়েছিল। এসময় গাড়ির ড্রাইভার ও অন্যান্য শ্রমিকরা আহত হয়েছে। গভীর রাত হওয়ায় তারা গাড়ি ও লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। তাদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে বুধবার দুুপুরে লামা থানা ও গজালিয়া ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আশ্রাফুজ্জামান বলেন, সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ভোরে রওনা দিয়ে দুপুরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। লাশটি উদ্ধার করে আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি বান্দরবান জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে প্রচন্ড কালবৈশাখী ও ঝড়োবৃষ্টি হওয়ায় দুর্গম ঘটনাস্থলে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

খাগড়াছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৩

খাগড়াছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৩

চট্টগ্রাম অফিস: খাগড়াছড়ি জেলা সদরের জিরো মাইল এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মাহমুদুল হক (৭০) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

বুধবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, খাগড়াছড়ি থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাস ও বিপরীত দিক থেকে আসা পণ্যবাহী পিকআপ এবং কাভার্ডভ্যানের ত্রিমুখী সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পথচারী মাহমুদুলকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া গুরুতর আহতাবস্থায় কাভার্ডভ্যান চালককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি সাহাদাৎ হোসেন টিটোকে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পটিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২

পটিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২

চট্টগ্রাম অফিস: পটিয়া বাইপাস এলাকায় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় সিএনজি অটোরিকশার এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও দুই যাত্রী।

মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম রহিম উদ্দিন (৩৮)। পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন এলাকার মো. নুরনবীর ছেলে।

আহতরা হলেন- ভাটিখাইন এলাকার রফিকুল আলমের ছেলে মো. শুভ (১৭) ও একই এলাকার মো. মনিরুজ্জামানের ছেলে মো. বাদশা মিয়া (৪০)।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, পটিয়া বাইপাস এলাকায় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় রহিম উদ্দিনসহ সিএনজি অটোরিকশার তিন যাত্রী গুরুতর আহত হন। এরপর তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রহিম উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুইজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

টেকনাফে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা নারীসহ নিহত ৩

টেকনাফে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা নারীসহ নিহত ৩

চট্টগ্রাম অফিস: কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশ ও বিজিবি’র সঙ্গে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা নারীসহ ৩ জন ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছে।

রোববার ভোরে ও শনিবার দিবাগত রাতে এসব ঘটনা ঘটে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে ইয়াবা বিক্রির খবর পেয়ে টেকনাফ উপজেলার মৌলভীবাজার এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশ। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা কাবারিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে ইয়াবা কারবারিরা পিছু হটে। পরে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ দুজনকে উদ্ধার করা হয়। তাদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, সেখানে তাদের অবস্থা খারাপ হলে হলে চিকিৎসক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ দুটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

অপরদিকে টেকনাফের বিজিবির-২ ব্যাটালিয়ন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার জানান, আজ ভোরে টেকনাফের দমদমিয়া ওমরখাল নাফনদী এলাকায় টহলে বের হন বিজিবি সদস্যরা। এ সময় কিছু লোক মিয়ানমার থেকে ওমরখাল পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। এসময় তাদের থামার সংকেত দেয় বিজিবি। কিন্তু বিজিবির সংকেত অমান্য করে উল্টো বিজিবি টহলদলের ওপর অতর্কিতে গুলি বর্ষণ ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে বিজিবি পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে তারা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে একজন নারীকে নৌকার মধ্যে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে রোহিঙ্গা নারী বলে সনাক্ত করেন। এ সময় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও তিনটি লোহার ধারালো কিরিচ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।