১৯ নভেম্বর২০১৮, ৫ অগ্রহায়ণ১৪২৫
1024x90-ad-apnar

সুরমা নদীতে দাঁড়িয়ে আছে ভাসমান রেস্তোরাঁ “সুরমা রিভার ক্রুজ”

Tuesday, 08/03/2016 @ 12:13 pm

 সুরমা নদীতে দাঁড়িয়ে আছে ভাসমান রেস্তোরাঁ "সুরমা রিভার ক্রুজ"

সুরমা নদীতে দাঁড়িয়ে আছে ভাসমান রেস্তোরাঁ “সুরমা রিভার ক্রুজ”

চট্টগ্রাম অফিস:
হযরত শাহ জালাল (রহ:)পূণ্যভূমি সিলেটের সুরমা নদীর দুই কুলকে একত্রিত করেছে ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী কিন ব্রিজ। নদীর উওর পাড়ে প্রাচীন শারদা হল। আছে ব্রিটিশ আমলের দাঁড়িয়ে থাকা আলী আমজদের ঘড়ি। এই নিয়ে ঐতিহ্যবাহী চাঁদনীঘাট। সুরমা নদীর ঘাটে দাঁড় করা একটি ভাসমান রেস্তোরাঁ নাম’সুরমা রিভার ক্রুজ’।

সিলেটের এক ঝাঁক প্রবাসীরা মিলে সুরমা নদীতে দাঁড় করেছেন ভাসমান রেস্তোরাঁ। বিশ্বের অনেক দেশে নদীর উপর এমন ভাসমান রেস্তোরাঁ আছে তা দেখে সিলেটের প্রবাসীরা এই ব্যতিক্রম ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন। চাঁদনীঘাটে রিভার ক্রুজ স্থাপনে পর্যটকদের আকর্ষণ আর অনেক গুন বাড়িয়ে দিয়েছে। এই টাইটানিক জাহাজ এখন সবার কাছে জনপ্রিয়। সিলেটের পর্যটকরা নয় শুধু, সিলেটের বাহিরের বিভিন্ন স্থানের পর্যটকরা সিলেটের ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম হযরত শাহ জালাল(রহ:) মাজারদে এমনি ও হযরত শাহ পরান (রহ:) মাজার জিয়ারত করতে আসা পর্যটকেরা রাতের খাবার টা খেয়ে নেন সুরমা রিভার ক্রজে।পর্যটকরা সবাই এটাকে শখ হিসাবে দেখছেন।

গত ২০১৫ সালের শীতের শুরুতে সুরমা নদীর তীরে এই আকর্ষণীয় ভাসমান রেস্তোরাঁ উদ্বোধন করা হয়। এর কিছু দিন পর থেকে এটি দর্শনার্থীদের কাছে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠে। সন্ধ্যা হলে চাঁদনীঘাটে নামে হাজার মানুষের ঢল।ডিনার নিয়ে ব্যাস্ত দর্শনার্থীরা।ব্যাস্ত হয়ে পড়েন রেস্তোরাঁর সকল সদস্যরা।রেস্তোরাঁর ভিতরে গিয়ে বসা মাএ চলে মেনু কার্ড। আছে বিভিন্ন প্যোকেজ সুবিধা।ডিনার শেষে দর্শনার্থীরা জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যাম ফেইসবুকের জন্য সেলফি তুলতে যেন কারো ভুল পড়েনা।

সিলেটের প্রবাসীরা বাংলাদেশের মধ্যে অন্যরকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সিলেটবাসীরা সবার থেকে একটু আলাদা, চিন্তা ভাবনা আলাদা,সেই চিন্তা থেকে এই ব্যতিক্রম ধরনের উদ্যোগের নাম’সুরমা রিভার ক্রুজ’ ঘুরতে আসা পর্যটকরা নাম দিয়েছে টাইটানিক এটা আমাদের সিলেটবাসীদের জন্য অনেক কিছু।

সিলেটের চাঁদনীঘাটে পড়ন্ত বিকালে সুরমার জলে দিনের শেষে সূর্য ডোবা দেখতে হাজার পর্যটক প্রতিদিন আসেন।ব্যাস্তময় কর্মজীবন কাঁঠিয়ে ওঠা শহরের মানুষ পরিবার পরিজন নিয়ে পড়ন্ত বিকালে ঘুরতে আসেন ঐতিহ্যবাহী সুরমা নদীর তীরে।কেউবা সিলেট সার্কিট হাউজের সামনে মনোমুগ্ধকর ফুল বাগান ও মিনি পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরে চলেন মনের আনন্দে। কেউ কেউ জমিয়ে আড্ডা মারেন বন্ধু-বান্ধবের সাথে চায়ের কাপে। কেউবা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন শীতল হাওয়া। উপলব্ধি করেন খেয়া পারাপারের মনোরম দৃশ্য।