২৩ সেপ্টেম্বর২০১৮, ৮ আশ্বিন১৪২৫
1024x90-ad-apnar

রাঙ্গামাটি ভ্রমন পিপাসু পর্যটণ কেন্দ্র

Sunday, 04/10/2015 @ 11:16 am

রাঙ্গামাটি ভ্রমন পিপাসু পর্যটণ কেন্দ্র

রাঙ্গামাটি ভ্রমন পিপাসু পর্যটণ কেন্দ্র

চট্টগ্রাম অফিস:
প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে প্রকৃতিক অপরুপ সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসেন রাঙ্গামাটিতে ভ্রমন পিপাসু পর্যটকগণ। এবারও ঈদুল আজহার ছূটিতে আনন্দ উপভোগ করতে পর্যটকরা পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধদের নিয়ে জেলার বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলোতে ভিড় জমিয়েছেন। তবে গত বছরের তুলনায় এবার ঈদের ছুটিতে পর্যটকের আগমন কিছুটা কম।

রাঙামাটির অন্যতম আকর্ষন ঝুলন্ত সেতুটি পানির নিচে ডুবে থাকায় অনেক পর্যটক কিছুটা হতাশ হলেও, বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ের প্রকৃতিক সৌর্ন্দয্যসহ কাপ্তাই হ্রদে নৌ-ভ্রমন ও শুভলং-এর ঝর্নার দৃশ্য অবলোকনে উপভোগ করছেন এক বড় আনন্দ।

পর্যটন ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এবার ঈদের ছুটি বর্ষা মৌসুমে হওয়ায় ও রাঙামাটির প্রধান আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতুটি প্রবল বর্ষণের কারণে কাপ্তাই হ্রদে পানি নিচে ডুবে থাকায় পর্যটকদের আগমন কম লক্ষ্য করা গেছে।

দুই পাহাড়ের মাঝখানে ঝুলন্ত সেতুটি এখন প্রায় দুই ফুট পানির নিচে রয়েছে। তাই ছূটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকরা সেতুর সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে না পেরে কিছুটা হতাশ।

বেড়াতে আসা অনেক পর্যটক জানিয়েছেন, তারা ঝুলন্ত সেতুটি পানির নিচে ডুবে থাকায় এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেননি।

বর্ষায় রাঙামাটির পর্যটনের অপর আকর্ষণ শুভলং পাহাড়ী ঝর্ণা এর পরিপূর্ণ রুপ ফিরে পেয়েছে। সেখানেও পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া অন্যান্য পর্যটন স্পট রাজবাড়ী, রাজ বনবিহার, ডিসি বাংলোসহ অনেক স্পটে পর্যটকদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে।

পর্যটন নৌ ঘাটের ইজারাদার রমজান আলী জানান, বৃষ্টির কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝুলন্ত সেতুটি পানির নিচে রয়েছে। ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর পর্যটকের সংখ্যা কম। তবে যেসব পর্যটক এসেছেন তারা বোট ভাড়া করে কাপ্তাই হ্রদে নৌ ভ্রমণসহ শুভলং ঝর্ণা, রাজবাড়ী, রাজ বন বিহার ঘুরে বেড়াচ্ছেন।