১৭ নভেম্বর২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ১৪২৫
1024x90-ad-apnar

মানবতাবিরোধী অপরাধে লিয়াকত-আমিনুলের মৃত্যুদণ্ড

Monday, 05/11/2018 @ 4:48 pm

মানবতাবিরোধী অপরাধে লিয়াকত-আমিনুলের মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক মুসলিম লীগ নেতা হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মো. লিয়াকত আলী (৬১) ও কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আমিনুল ইসলাম (৬২) ওরফে রজব আলীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো.শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রসিকিউশনের আনা সাতটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। তাই সাতটি অভিযোগেই তাদেরকে ফাঁসি আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায়, ২০০৩ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত লিয়াকত আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। সভাপতি থাকা অবস্থাতেই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ২০১৬ সালের ১৮ মে এই দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। সেই থেকে তারা পলাতক রয়েছেন।

রায়ের পর প্রসিকিউটর রানাদাস গুপ্ত সাংবাদিকদের বলেন, একাত্তরে হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকায় হত্যা, গণহত্যার মত মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার দায়ে পলাতক দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় এসেছে আদালতে। রায়ে দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় তারা বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটান তা উঠে এসেছে।

রায়ে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা সাতটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। মৃত্যু পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তাদের সাজা কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

এই রায়ের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন আসামিরা। তবে সে জন্য তাদের আত্মসমর্পণ করতে হবে।