২৩ সেপ্টেম্বর২০১৮, ৮ আশ্বিন১৪২৫
1024x90-ad-apnar

ভালবাসায় সিক্ত ক্রোয়েটরা

Tuesday, 17/07/2018 @ 4:55 pm

ভালবাসায় সিক্ত ক্রোয়েটরা

ক্রীড়া ডেস্ক: দেশ স্বাধীনের মাত্র ২৭ বছরের মধ্যে বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চে উঠেছিল ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু ফাইনালে শিরোপা জিততে ব্যর্থ হয় তারা। রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের।

ফ্রান্স বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি জিতলেও ক্রোয়েশিয়া জিতেছে হৃদয় ও ভালবাসা।

ক্রোয়েশিয়ার রাজধানী জাগরেবে লুকা মডরিচ, রকিটিচ, ইভান পেরিসিচরা বিমান বন্দর থেকে নামার পরপরই পেয়েছেন গার্ড অব অনার। এরপর বিমান বন্দর থেকে খোলা বাসে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় জাগরের জেলাচিচ স্কয়ারে। সেখানে অস্থায়ী মঞ্চে লাখ লাখ মানুষের সামনে দেওয়া হয় সংববর্ধনা।

পথে পথে ক্রোয়াটদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন। খেলোয়াড়রাও হাত নেড়ে অভিনন্দনের জবাব দিয়েছেন। উৎসব দেখে বোঝার উপায় ছিল না ঠিক আগের রাতেই তারা হারিয়েছে বিশ্বকাপের ট্রফি। হয়তো হারিয়েছে কিন্তু তাতেও কোনো আক্ষেপ নেই।

লুকা মরডিচ যেমনটা বলেছিলেন, ‘আমরা বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের কাছাকাছি ছিলাম। কিন্তু হতে হতেও হলো না। দীর্ঘসময় এই ম্যাচটি আমার মস্তিস্কে থাকবে। তবুও ক্রোয়েশিয়া আমাদের নিয়ে গর্বিত হতে পারে। আমরা বীরের মতো করেই লড়াই করেছি। আমরা জিততে সামর্থ্যের সবকুটু দিয়েছি। কিন্তু ভাগ্য আজ আমাদের পক্ষে ছিল না। আমরা বিশ্বকাপের প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই সেরা দল ছিলাম। আমরা সেভাবেই খেলেছি। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনকভাবে আজ আমাদের পক্ষে কিছুই আসেনি। দুটি ‘বাজে’ গোল আমাদের বড় ক্ষতি করেছে। আমরা টুর্নামেন্টের সাফল্য নিয়ে গর্বিত। আমরা ভালো খেলেছি। সত্যি বলতে ক্রোয়েশিয়ার জন্য এটা দারুণ একটি টুর্নামেন্ট গেল। এজন্যই বলছি ক্রোয়েশিয়া গর্বিত হতে পারে।’

রূপকথার মতো ফাইনালে ওঠার তৃপ্তি ক্রোয়েশিয়ার সবার। এটাই বিশ্বকাপে তাদের সবথেকে বড় সাফল্য। এ সাফল্যর জন্য সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করতে হয়েছে। তাইতো অনুশোচনার কিছু দেখছেন না ক্রোয়াটরা। সত্যিই গর্বিত ক্রোয়েটরা। কারণ বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচে তারা বীরের মত লড়েছে।