১৪ ডিসেম্বর২০১৮, ৩০ অগ্রহায়ণ১৪২৫
1024x90-ad-apnar

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়নে পাসের হার কমেছে: শিক্ষামন্ত্রী

Thursday, 19/07/2018 @ 6:33 pm

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়নে পাসের হার কমেছে: শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়ন করায় এবার এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার কমেছে। খাতা ভালো করে দেখার কারণেই পরীক্ষায় ফল নিম্নমুখী। সব মিলিয়ে গুণগতমান ঠিক রাখতেই এ অবস্থা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, `আমরা মানসম্মত শিক্ষার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তাই পাসের হার কমলেও সকল খাতা যাতে সঠিকভাবে মূল্যায়ন হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। খাতা সঠিকভাবে মূল্যায়ন হবে- এটাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞান শিক্ষা নিয়ে আমাদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল অথচ বিজ্ঞানে এবার গত বারের তুলনায় ২৪ হাজার ৫৫১ জন পরীক্ষার্থী বেশি অংশগ্রহণ করে এবং গতবারের চেয়ে ১০ হাজার ৮৫৮ জন বেশি পাস করেছে। বরাবরের মতো এবারও মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এবার ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি পাস করেছে। পাসের হার কমলেও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি জানান, কেউ পাস করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ৫৫টি। গত বছর ৭২টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছিল। এবার শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০০টি। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৫৩২টি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, `অন্যান্য দেশের তুলনায় সংখ্যায় আমরা বেশি এগিয়ে আছি। এখন আমরা গুণগত মানের দিকটায় গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা ক্লাস নেওয়া ও ভালোভাবে পরীক্ষা নেওয়ার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। ঠিকভাবে যেন খাতা দেখা হয়, সেদিকে নজর দিচ্ছি। যা বাস্তব, যা সত্য সেই ফল বেরিয়ে এসেছে। আমরা কাউকে নম্বর বাড়িয়ে দিতে বলি না, কমাতেও বলি না। আমরা শিক্ষকদের বাধ্য করছি সঠিক মূল্যায়নের।

মন্ত্রী বলেন, ‘এবারের পরীক্ষা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি। বলা যায় এবারের পরীক্ষা প্রশ্নমুক্তভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার পরীক্ষা প্রশ্নবিদ্ধ করার কারো সুযোগ ছিল না। এমনকি কোন গুজবও কেউ রটাতে পারেনি। পরীক্ষার্থী বাড়ছে। ঝরে পড়া কমেছে। সংখ্যাগত এবং গুণগত দিক থেকে বিজ্ঞান পরীক্ষায় উন্নতি অব্যাহত রয়েছে। কারিগরি শিক্ষাতেও পরিবর্তন এসেছে, এই পরীক্ষার ফলাফলে তা প্রমাণিত হয়।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ।