২০ সেপ্টেম্বর২০১৮, ৫ আশ্বিন১৪২৫
1024x90-ad-apnar

পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন

Sunday, 14/01/2018 @ 5:46 pm

পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন

নিউজ ডেস্ক: পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো তৈরির জন্য স্থায়ী জন্য মজুরি বোর্ড মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী ডিসেম্বরের আগেই নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার বিষয়ে আশাবাদী সরকার।

শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ‘তৈরি পোশাক শিল্প শ্রমিকদের জন্যে সরকার মজুরি বোর্ড ঘোষণা করেছে। এই বোর্ড বাজার মূল্য ও অন্যান্য জিনিসপত্রের দর যাচাই করে আগামী ৬ মাসের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন নির্ধারণ করে সুপারিশ করবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করে তা ঘোষণা করা হবে।’

রবিবার সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নু।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা আছে। একজন জেলা জজের নেতৃত্বে চারজন স্থায়ী সদস্য আছেন। আর দুইজনকে নতুন করেন যুক্ত করা হল।’

স্থায়ী নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন সিনিয়র জেলা জজ সৈয়দ আমিনুল ইসলাম। আর তিনজন সদস্য হলেন- মালিকপক্ষের প্রতিনিধি কাজী সাইফুদ্দীন আহমদ, শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি ফজলুল হক মন্টু, নিরপেক্ষ প্রতিনিধি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কামাল উদ্দিন ।

এদের বাইরে পোশাক শিল্প মালিকদের প্রতিনিধি হিসেবে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের নারী বিষয়ক সম্পাদিকা শামসুন্নাহার ভুঁইয়াকে শ্রমিকদের প্রতিনিধি করা হযেছে।

শ্রমিক প্রতিনিধি বাছাই করা সব সময় ঝামেলার উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, এবার সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলেই শামসুন্নাহারকে বাছাই করা হয়েছে। তিনি ২০১৩ সালে গঠন করা মজুরি বোর্ডেও ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্থায়ী মজুরি বোর্ড রয়েছে। তবে যখন যেই খাতের মজুরি বোর্ড গঠন করা হয় সেই খাতের দুইজন প্রতিনিধি যুক্ত করা হয়। একটি হচ্ছে মালিক পক্ষ থেকে আরেকটি হচ্ছে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে।’

এর দুই বছর আগে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হয়। আর ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে নতুন মজুরি কাঠামোয় প্রথম বেতন পেয়েছিলেন শ্রমিকরা। তখন চারটি গ্রেডে বাস্তবায়ন করা এই মজুরি কাঠামোয় সর্বনিম্ন বেতন ধরা হয় ৫৩০০ টাকা।

ওই মজুরি কাঠামোতে প্রতি বছর পাঁচ শতাংশ হারে বেতন বাড়ার পাশাপাশি পাঁচ বছর পর নতুন বেতন কাঠামো করার কথা বলা ছিল।