১৭ ডিসেম্বর২০১৭, ৩ পৌষ১৪২৪
1024x90-ad-apnar

নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন পাবেন

Monday, 30/11/2015 @ 10:00 am

নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন পাবেন

নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন পাবেন

দেশের মোট ৩১৫টি পৌরসভার মধ্যে আগামী ৩০ ডিসেম্বর ২৩৬টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বাকি পৌরসভাগুলোর মেয়াদ শেষ হয়নি। ফলে আপাতত ২৩৬টিতেই নির্বাচন হচ্ছে। গত ২৪ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করেছে।দেশজুড়ে পৌরসভা নির্বাচনের হাওয়াও বইছে। এখন রাজনৈতিক দলগুলোকে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন পাবেন। যিনি স্থানীয় সরকারকে গ্রহণযোগ্য করে গড়ে তুলে এলাকার সমাজ ও অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ায় মুখ্য ভূমিকা পালন করবেন।

বর্তমান বাংলাদেশে জনসমর্থনের দিক দিয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হলো আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। অন্যদিকে বর্তমান জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টি বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে। এ বড় তিনটি রাজনৈতিক দল পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেবে। জাতীয় নির্বাচনের মতো এবার পৌরসভা নির্বাচনেও দলগুলো কেন্দ্র থেকে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। কেন্দ্র থেকে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে তিনিই সেই দলীয় প্রার্থী বলে বিবেচিত হবেন এবং নির্বাচন করতে পারবেন।

প্রার্থী নির্বাচনে জেলা পর্যায়ের নেতারা সংশ্লিষ্ট পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর পক্ষে সুপারিশ করবেন। জেলা পর্যায়ের নেতাদের সুপারিশের ভিত্তিতে কেন্দ্র থেকে প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হবে। তাই প্রার্থীর মনোনয়নের বিষয়টিতে কেন্দ্রের চেয়ে তৃণমূল পর্যায়ের সিদ্ধান্ত বেশি প্রাধান্য পাবে। এ কারণে প্রার্থী সুপারিশের ক্ষেত্রে জেলা পর্যায়ের নেতাদের বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে। তাদের যোগ্য প্রার্থীর পক্ষে সুপারিশ করতে হবে। কালোটাকা, পেশিশক্তি ও প্রভাব-প্রতিপত্তির কাছে যেন তৃণমূল নেতারা মাথানত না করেন।

১৯ নভেম্বর জাতীয় সংসদে পৌরসভা নির্বাচন সংশোধন আইন পাস হয়। আইনে দলীয় প্রতীকে মেয়র পদে নির্বাচন করার সুযোগ রাখা হয়। অর্থাৎ মেয়র পদে নির্বাচন করতে হলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমর্থন থাকতে হবে। আর দল যদি মনোনয়ন না দেয় তাহলে তার পক্ষে দলীয় সমর্থনে নির্বাচন করা সম্ভব নয়। আবার যদি কোনো রাজনৈতিক দল একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয় তাহলে ওই পৌরসভার সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হবে।
আইন সংশোধন করার ফলে এবার পৌরসভা নির্বাচন হবে জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনের আদলে। এ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় প্রার্থীর চেয়ে দলীয় প্রতীক বেশি প্রাধান্য পাবে। কারণ, যিনি যে দলের রাজনীতি করেন তিনি সেই দলের প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো প্রতীকে ভোট দেবেন না। এ কারণে দলগুলোকে প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে।