১৮ অক্টোবর২০১৭, ৩ কার্তিক১৪২৪
1024x90-ad-apnar

নারীর ভাল হওয়ার উপায় আগে নষ্ঠ হওয়া: তসলিমা নাসরিন

Saturday, 06/12/2014 @ 2:16 pm

চট্টগ্রাম নিউজ ডেস্ক: তসলিমা নাসরিন যে সকল প্রগতিশীলimages কবি, লেখক ও বুদ্ধি জীবিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নিজের পবিত্র নরম দেহকে যাদের ঠোটে তুলে দিয়েছিলেন তারা আজ অনেকেই তসলিমা নাসরিনের গায়ের গন্ধ নাকে নিয়ে কবরে শুয়ে আছেন । যারা বেচে আছেন তারাাো তসলিমা নাসরিন অপবাদ আর তিরস্কার করে যাচ্ছেন। কিন্তু একটি মেয়েকে ভাল হতে হলে তাকে আগে নষ্ঠ হয়ে যেতে হবে। তসলিমা নাসরিন লিখেছেন আমাকে এখন ভাল হয়ে যেতে হবে। খারাপ হওয়ার আর কোন জায়গা নেই। দেশের যোন কর্মীরা তাদের দেহের বিনিময়ে কিছু টাকা পায়। তাদের যতটুকু মানূষ ঘৃনা করেনা তার চেয়ে বেশী ঘৃনার পাত্র এখন আমি। আর যারা বেচে আছেন তাদের অনেকের বয়সের ভারে নারী দেহের সাদ নেয়ার ক্ষমতা লিঙ্গ থেকে ঝরে গেছে বসন্তের পাতার মত . . .মাঝে থেকে তসলীমা নাসরিন তার মাঝ বয়সী যৌন পিপাশক্ত যৌবন নিয়ে পড়েছেন বিপাকে । সতীত্ব হারা দেহের প্রতিটি ভাজে এখন শত শত পুরুষের গন্ধ . . . তার গায়ের মৃদু রেখা আজ যে কত পুরুষের চেনা . . আদিম যুদ্ধে ক্লান্ত দেহের কোমল অংগ তার ঝুলে পরেছে পেটের দায়ে রাতের মেয়েরা নিজের দেহকে পরপুরুষের হাতে তুলে দেয় অপবিত্র করতে, খদ্দের তার পয়সা উসুল করে কড়ায় গন্ডায়, একদল নার পশুদের যৌন ক্ষুধা মিটে তার দেহে. . . আর্তনাদ গুলো তার রাতের আধারে গলে যায় . . . কিন্তু তসলীমা কেন তার দেহ দিল ? এ বয়সের মেয়েরা সুই শুতা রান্না বারি কান্না কাটি নিয়ে থাকতে পছন্দ করে , ছেলে মেয়ে কে নিয়ে সপ্ন দেখতে পছন্দ করে, স্বামীর গলা ধরে আহলাদ করতে আর সংসারের ঝুট ঝামেলা নিয়ে ভাবতে পছন্দ করে . . . যা তার একটিও নেই , হবেওনা কোন দিন , যারা এতদিন তার পায়ের গোড়ালী থেকে ঠোট পর্যন্ত যৌবন টুকু চেটে পুটে খেয়েছে তারা তাকে সমাজের আরালে একান্তে বিছানায় পেতে চায়, সে প্রগতিশীলরা তাকেকি একটা সমাজ শিকৃত বৈধ সন্তান দিবে ? দিবেকি তারা, তার দেহে প্রবাহিত তাদের হাজারও অন্যায় বীর্জপাত হতে শুধু এক ফোটা বীর্জের পরিচয় ? না , দিবে না ! তসলিমা যা হারিয়েছে তা আর কখনও ফিরে পবে না । তাইতো কুমারী আর স্বতী নারীদের সে আহবান করে তার মত নগ্ন জীবন জাপনের, লেজ কাটা শিয়াল চায়না কারোর লেজ থাকুক,তসলীমার জীবন ইতিহাস পরলে জানা যায় সে তার রক্তের আত্মীয় দ্বারা অত্যান্ত মর্মান্তিক ভাবে ধর্ষীতা হয়েছে , তাকে ধর্ষন করেছে তার আপন চাচা, যাকে দেখতে তার অবিকল বাবার মত দেখাত . . . সেখান থেকেই তার পুরুষ মানুষকে ঘৃনা করতে শেখা . . আর এর শুযোগ নিয়েছে বাম পন্থী কিছু বুদ্ধিজীবি, লুটে পুটে খেয়েছে তার যৌবন, খাবলে খুবলে সাদ নিয়েছে এক দুঃখী সরল ছোট্ট মেয়ের দেহটির . . . আর তাকে বুঝিয়েছে এই তো জীবন . . .তার আর ফিরে যাওয়ার পথ নেই ! সে নগ্ন হয়ে নাচতে নেমেছে. . . তার গায়ের মৃদু রেখা আজ সকলের চেনা . . কি হবে আর ঘোমটা দিয়ে ? কিন্তু তার যে ঘোমটা দিতে ইচ্ছে হয় , স্বামীর কাছে অহলাদী সুরে বায়না ধরতে ইচ্ছে হয় . . . কিন্তু কোন পুরুষ কি চাইবে একটি রাতের মেয়েকে তার ঘরনী করতে ? যে তার শত পুরুষের গ্রাসে সতীত্ব হারিয়েছে . . .যে প্রগতিশীলরা তার দেহকে নিয়ে খেলেছে দিনের পর দিন বিনিময় তাকে উপাধি দিয়েছে “মুক্তমনা” কই তাদের কোন মেয়েকে তো মুক্তমনা হতে দেয়নি ! তাদের সংসার আছে , আছে ঘর কন্যার সব কিছু . . . এ পথ কি তাহলে সর্বনাশের ? দেহ দিয়েছি, দেশ ছেড়েছি, কিন্তু কি পেয়েছি ?এত দিন পর সে বুঝেছে .. সেই তথাকথিত প্রগতিশীলদের কাছে সে ছিল মাত্র এক খন্ড মাংস পিন্ড , প্রান হীন. . . নিথর . . বীর্জ সংক্ষলনের টয়লেট

সূত্র একটি বিদেশী সংবাদ সংস্থা