১৯ মার্চ২০১৯, ৫ চৈত্র১৪২৫
1024x90-ad-apnar

কৃষ্ণা কাবেরী হত্যা মামলায় জহিরুলের ফাঁসির রায়

Thursday, 03/01/2019 @ 5:02 pm

কৃষ্ণা কাবেরী হত্যা মামলায় জহিরুলের ফাঁসির রায়

নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর আদাবরের মিশন ইন্টারন্যাশনাল কলেজের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রভাষক কৃষ্ণা কাবেরী মণ্ডলকে হত্যার দায়ে ব্রোকারেজ হাউজ হাজী আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপক জহিরুল ইসলাম পলাশের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার ঢাকার এক নম্বর দ্রুতবিচার আদালতের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ২৩ ডিসেম্বর দু’পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছিলেন বিচারক।

ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আসামিকে সর্বোচ্চ সাজার সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন বিচারক।

এছাড়া দণ্ডবিধির ২০, ৭ ও অন্যান্য ধারায় কৃষ্ণা কাবেরীর স্বামী ও দুই সন্তানকে হত্যা চেষ্টার মাধ্যমে গুরুতর জখম করার অপরাধে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও একবছর কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৩০ মার্চ মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের ভাড়া বাসায় হামলায় মারাত্মক আহত ও দগ্ধ হয়ে পরদিন হাসপাতালে মারা যান আদাবরের মিশন ইন্টারন্যাশনাল কলেজের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রভাষক কৃষ্ণা কাবেরী মণ্ডল (৩৫)।

ঘটনার পর তার স্বামীল বড় ভাই সুধাংশু শেখর বিশ্বাস গুলশানের ব্রোকারেজ হাউজ হাজী আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপক জহিরুল ইসলাম পলাশকে একমাত্র আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। তার স্বামী সীতাংশু শেখর বিশ্বাস বিআরটিএর প্রকৌশল বিভাগের উপ-পরিচালক ছিলেন।

এক বছরের বেশি সময় তদন্ত চালিয়ে ২০১৬ সালের ৩০ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, সীতাংশু বিশ্বাস হাজী আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজের মাধ্যমে বিও অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। সেখানে আট লাখ টাকা ছিল। শেয়ার ব্যবসার সূত্রেই পলাশের সঙ্গে সীতাংশুর পরিচয় হয়। সীতাংশুর শেয়ার আত্মসাৎ করার জন্য তাকে হত্যার চেষ্টা করেন জহিরুল এবং তার হামলায় কৃষ্ণার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ করা হয় অভিযোগপত্রে।

২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন একমাত্র আসামি গুলশানের একটি ব্রোকারেজ হাউজের ব্যবস্থাপক এম জহিরুল ইসলাম পলাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

মামলায় বিভিন্ন সময়ে ২২ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।