২৩ ফেব্রুয়ারি২০১৯, ১১ ফাল্গুন১৪২৫
1024x90-ad-apnar

‘উন্নয়নের ধারা গতিশীল রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন’

Thursday, 07/02/2019 @ 4:57 pm

‘উন্নয়নের ধারা গতিশীল রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন’

নিউজ ডেস্ক: দেশ ও জাতির কল্যাণে সশস্ত্র বাহিনীকে গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারা গতিশীল রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। একইসাথে সততা ও নিষ্ঠার সাথে সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সশস্ত্রবাহিনীকে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বহাল রাখায় মনোযোগী হতে হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুর সেনানিবাসে সামরিক বাহিনী কমান্ড অ্যান্ড ডিফেন্স কলেজে কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের শারীরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি রপ্ত করতে হয় সমরবিদ্যার খুঁটিনাটি। আর এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয় মিরপুর সেনানিবাসে সামরিক বাহিনী কমান্ড অ্যান্ড ডিফেন্স কলেজে।

এ বছর ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ কোর্স সম্পন্নকারী ৪৫ জন বিদেশিসহ ২১৫ জন সামরিক কর্মকর্তার হাতে বৃহস্পতিবার সকালে সনদ তুলে দেন সরকার প্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কঠোর পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়ের মাধ্যমে আপনারা সমর বিজ্ঞানের ওপর উচ্চতর জ্ঞান লাভ করেছেন। এখান থেকে অর্জিত জ্ঞান যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আত্মপ্রত্যয়ী হতে শেখাবে। ভবিষ্যতে বৃহৎ নেতৃত্ব প্রদানে আপনারা নিজেদের প্রস্তুত রাখবেন। সততার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। এটাই আমি আশা করি।’

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আরো একটি পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, জনগণকে দেয়া প্রতিটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে। বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, ‘আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সম্মান পাচ্ছে। আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছি। জাতির পিতা স্বাধীনতার পর একটি যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে গড়ে গিয়েছিলেন। আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশ।’