১৭ ডিসেম্বর২০১৮, ৩ পৌষ১৪২৫
1024x90-ad-apnar

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে: সিইসি

Thursday, 29/11/2018 @ 4:59 pm

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে: সিইসি

নিউজ ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা আশা করেছিলাম যে, একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে, আমাদের সে আশা পূর্ণ হয়েছে। আশা করেছিলাম প্রতিযোগিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে, সে প্রত্যাশা পূর্ণ হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম সবদলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হবে, সেই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কে এম নুরুল হুদা।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও গাজীপুরের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট।

সিইসি বলেন, আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি অনেক প্রভাবশালী প্রার্থী তারা রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসে গিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে আবেদন জমা দিয়েছেন। প্রার্থীর সঙ্গে পাঁচজনের বেশি লোক ভেতরে গেলে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়, কেউ সেটি লঙ্ঘন করেনি। তারা প্রত্যেকেই চারজন, পাঁচজন, ছয়জন, সাতজনের বেশি লোক নিয়ে ভেতরে ঢোকেনি। বাইরে হয়তো তাদের কিছু সমর্থক এসেছিল। সেটা অফিসের বাইরে। একজন প্রার্থীর সমর্থক থাকতেই পারে। সেগুলো মোটর শোভাযাত্র, গাড়িসহ যাত্রা বা শোডাউনের পর্যায়ে পড়ে না। যারা প্রার্থী তাদের পরিচয়, তারা শুধুই প্রার্থী। তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা ব্যক্তি পরিচয় থাকবে না। সে একটি প্রতীকের প্রার্থী হবে। নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ রাখার জন্য নিশ্চিত করবেন।

তিনি বলেন, গতকাল বুধবার সারাদেশে ৩০০ আসনে ৩ হাজার ৫৬ জনের মনোনয়ন ফরম দাখিল হয়েছে। যা রেকর্ড সংখ্যক। এই নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে যে স্বতঃস্ফূর্ত জাগরণ এবং নির্বাচনে অংশ নেয়ার যে প্রত্যয়, তারই প্রতিফলন ৩ হাজার ৫৬ জনের মনোনয়ন দাখিল।

নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ‘যারা নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করবেন তাদের প্রশিক্ষণ দেবেন আপনারা। সেখানে আপনারা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বার্তা নিয়ে যাবেন।’

সিইসি বলেন, আমাদের প্রায় সাড়ে তিন হাজার লোককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করা হবে। এখন প্রশিক্ষণ পাওয়ারা মাঠে গিয়ে যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্বপালন করলে নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু হবে, অবশ্যই নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে, অবশ্যই নির্বাচনে ভোটারদের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটবে বলে আমি বিশ্বাস করি, আশা করি।